Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৩ মার্চ, ২০১৭ ২৩:৫২
কৃষি সংবাদ
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মুলার বীজ চাষে সফলতা
দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মুলার বীজ চাষে সফলতা

কম সময়ে অল্প খরচে লাভজনক মুলার বীজ চাষ। এখন মাঠের পর মাঠ মুলার বীজের সাদা ফুলে ফুলে ভরা।

বীরগঞ্জের পলাশবাড়ী ইউনিয়নে এ চাষ চোখে পড়ার মতো। ৫০০ একরের অধিক জমিতে মুলার বীজ চাষ হচ্ছে। এ এলাকায় বেশি তাসাকিষাণ, পিংকি, আর্লি-৪০, রকি জাতের মুলার বীজের চাষ বেশি হয়েছে। গতবারের চেয়ে এবার বীজের ফলন বেশি পাবেন বলে আশা করছে কৃষকরা। বীজ চাষে কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও কয়েকটি বীজ কোম্পানির সহযোগিতায় এবার এ চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। একরে ৫৫০ থেকে ৬০০ কেজি বীজ পাওয়া যায়। আর বিক্রি হয় ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে। একর প্রতি কৃষকের খরচ বাদে লাভ হয় ২৫-৩৫ হাজার টাকা। বীরগঞ্জের পলাশবাড়ী ইউপির ঝলঝলি গ্রামের নজরুল ইসলাম জানান, আমি এক একর জমিতে এবার মুলার বীজ চাষ করেছি। এক বিঘা জমিতে মুলার বীজ চাষ করতে খরচ হয় ৫-৬ হাজার টাকা এবং উৎপাদিত মুলার বীজ বিক্রি করে পাওয়া যায় ২৫-৩০ হাজার টাকা। আর এ বীজ চাষে সময়ও কম লাগে। মাঘ মাস থেকে বীজ ফেলে বীজ উৎপাদনে চাষ শুরু হয়। আর চৈত্র মাসেই এ বীজ সংগ্রহ করে বিক্রি করা যায়। আগামীতে আরও বেশি জমিতে এ বীজ চাষ করব। মুলার বীজ চাষি জিতেন্দ্রনাথ, কেদারনাথ, আকসাদ আলী, রুস্তম আলী, শফিউল ইসলামসহ অনেকে জানালেন, স্বল্প সময়ে অল্প খরচে মুলার বীজ চাষ লাভজনক হওয়ায় এ অঞ্চলে ব্যাপকহারে বাড়ছে চাষ। আর সহযোগিতার জন্য এগিয়ে এসেছে অনেক বীজ বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন বীজ বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান কৃষকদের বীজ সরবরাহ করে এবং মুলার বীজ আবার ক্রয় করে নেয়। বীরগঞ্জ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহজাহান আলী জানান, মুলার বীজ চাষ লাভজনক হওয়ায় এলাকার কৃষকের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফুল ফোটার সময় ব্লাস্টসহ কিছু রোগ দেখা দিলেও এবার কোনো সমস্যা হয়নি। তাই ফলনও ভালো হবে। দিন দিন এর ব্যাপ্তি বাড়ছে। বিভিন্ন বিষয়ে কৃষি বিভাগ সব সময় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow