Bangladesh Pratidin

ফোকাস

  • ২ জুন থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু
  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বন্য হাতির আক্রমণে ১০ মাসে নিহত ১৩
  • সাতক্ষীরায় যুবলীগ-শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ২
  • তাসফিয়া হত্যায় 'তৃতীয় পক্ষের' ইন্ধন নিয়ে সন্দেহ পরিবারের
  • বান্দরবানে পাহাড় ধসে নারীসহ ৫ শ্রমিক নিহত
  • সাভারে কাউন্সিলরের লোকজনের সাথে ছাত্রলীগের সংর্ঘষ-গুলি, আহত ২০
  • কেরালায় নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু
  • নাজিব পরাজয় মেনে নিতে চাননি: আনোয়ার ইব্রাহিম
  • রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
  • মাদকবিরোধী অভিযান; রাতে ৭ জেলায় 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ৯
প্রকাশ : রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১৮ মার্চ, ২০১৭ ২৩:৩৬
শীর্ষ জঙ্গি মুসা পাসপোর্ট পাওয়ায় পুলিশ বিস্মিত
কাজী শাহেদ, রাজশাহী

চট্টগ্রাম অঞ্চলে জঙ্গি সংগঠন জেএমবির প্রধান রাজশাহীর বাগমারার মাইনুল ইসলাম মুসার নামে পাসপোর্ট ইস্যু হওয়ায় পুলিশ বিস্মিত। জঙ্গি দমনে দেশজুড়ে যখন অভিযান চলছে, তখন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বাইরে যেতে পাসপোর্টনিয়েছেন জঙ্গি নেতা মুসা। রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত সুপার সুমিত চৌধুরী জানান, ২০১৫ সালে মুসা পাসপোর্টটি পান। নিয়ম অনুযায়ী তার বাড়ির ঠিকানায় পুলিশের তদন্ত হওয়ার কথা। কিন্তু এমন কোনো তদন্ত ছাড়াই তাকে পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে। কীভাবে এটা হতে পারল, ভেবে পাচ্ছে না পুলিশ। পুলিশের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, রাজশাহীর বাগমারায় মুসার বাড়ি। ২০০৪ সালে তিনি যোগ দেন জেএমবিতে। বাংলা ভাইয়ের ফাঁসি হওয়ার পর কিছুটা নিষ্ক্রিয় ছিলেন। এরপর ধীরে ধীরে জেএমবি সংগঠিত করতে শুরু করেন। এখন এই মুসা চট্টগ্রামের আঞ্চলিক প্রধান। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, মিরপুরের রূপনগরে পুলিশের অভিযানে মুসার স্ত্রী ও সন্তান আত্মসমর্পণ করেন। এর পরই মুসার সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়। এভাবে তার পাসপোর্ট পাওয়ার বিষয়টি সামনে চলে আসে। পুলিশের ধারণা, মুসা পাসপোর্ট পেলেও দেশে আত্মগোপন করে আছেন। পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, মুসাসহ ৩০০ জেএমবি সদস্যের তালিকা তাদের কাছে আছে। ইতিমধ্যে ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে তৎপরতা অব্যাহত আছে। তালিকায় থাকা জেএমবি সদস্য ছাড়াও তাদের স্বজনদের সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করছে পুলিশ। মুসার পাসপোর্ট পাওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তিনি বলেন, ‘মূলত পাসপোর্টের বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখে। এই জঙ্গি নেতা কীভাবে পাসপোর্ট পেলেন তা তদন্ত করে দেখা হবে। এতে কিছু বেরিয়ে এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এই পাতার আরো খবর
up-arrow