Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৮ মার্চ, ২০১৭ ২৩:৩৭
কসবায় গ্রেফতারের পর বন্দুকযুদ্ধে যুবক নিহত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জহিরুল ইসলাম ওরফে কালা জহির (৩৫) নামে এক যুবক কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে, জহির ডাকাত দলের সদস্য।

গতকাল ভোর রাতে এ নিহতের ঘটনা ঘটে। এর আগের দিন সকালে কালা জহিরকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। পুলিশ জানিয়েছে, জহির কাইয়ুমপুর ইউনিয়নের কামালপুর মধ্যপাড়ার নসু মিয়ার ছেলে। গতকাল ভোর ৪টার দিকে বিনাউটি ইউনিয়নের হাজীপুর এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাটি ঘটে। জহির আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হকের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত। গ্রেফতারকৃতের দেওয়া জবানবন্দিতে তার নাম উঠে আসে। তা ছাড়া তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও মাদক চোরাচালানসহ ছয়টি মামলাও রয়েছে। বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের এসআইসহ তিনজন আহত হয়েছেন। পুলিশ আরও জানায়, আগের দিন শুক্রবার সকালে কালা জহিরকে বেলতলী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অবৈধ অস্ত্র, গুলি ও ককটেল থাকার তথ্য দেন। সে অনুযায়ী তাকে নিয়ে অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করার জন্য গতকাল ভোর রাতে অভিযানে নামা হয়। তখন হাজীপুর এলাকায় আগে থেকে ওতপেতে থাকা কালা জহিরের ১০-১২ জন সহযোগী পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। পুলিশও পাল্টা ২০ রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে। ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে কালা জহিরের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সহযোগীদের গুলিতেই জহির মারা গেছে। ডাকাত দলের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের গ্রেফতার করা যায়নি। পরে ঘটনাস্থল থেকে থেকে ২টি রামদা, ১টি দেশি তৈরি পাইপগান, ১২টি ককটেল, ৪টি কার্তুজের খোসা ও ৪টি তাজা শটগানের গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এ ঘটনার দুই দিন আগে কসবায় তাজুল ইসলাম মাহমুদ ওরফে মামা হুজুর নামে হরকাতুল জিহাদের আঞ্চলিক কমান্ডার পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। এই তাজুলের ইসলামের নির্দেশেই জগন্নাথপুর গ্রামের করিবাজ ফরিদ মিয়া হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে গ্রেফতারকৃত এক ব্যক্তির জবানবন্দিতে উঠে এসেছিল।  

সোনাগাজীতে আরেকজন নিহত : ফেনী প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সোনাগাজীতে মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি মাদক ব্যবসায়ী বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ সময় পুলিশের দুই এএসআইসহ ছয় পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। গতকাল সকালে  ছাড়াইতকান্দি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল ছাড়াইতকান্দি গ্রামের বলাকা পাঠান বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। এ সময় মাদক বিক্রেতারা পুলিশের ওপর হামলা চালালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। হামলাকারীরা গুলি বর্ষণ করতে থাকে। একপর্যায়ে পুলিশও ছয় রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী ফকির আহম্মদ ও তার দুই সহযোগী সালাহ উদ্দিন ও মাঈন উদ্দিন আলমগীরকে আটক করা হয়। ফেনী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফকির আহম্মদ মারা যান। সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবীর জানান, আহত ছয় পুলিশ সদস্যকে সোনাগাজী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বন্দুকযুদ্ধের স্থান থেকে ১০ কেজি গাঁজা, ৮০০ পিস ইয়াবা, ১০০ গ্রাম হেরোইন ও ২টি বিদেশি মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে।

 

এই পাতার আরো খবর
up-arrow