বুধবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০ টা
কৃষি সংবাদ

কীটনাশক ছাড়াই কুমড়া চাষে সাফল্য

রিয়াজুল ইসলাম, দিনাজপুর

কীটনাশক ছাড়াই কুমড়া চাষে সাফল্য

কুমড়া বাড়ি। এটা এক সময়ে খরস্রোতা আত্রাই নদীর চরে চারদিকে কুমড়া চাষ হওয়ায় সবাই এ নামে ডাকে।

কীটনাশক ব্যবহার ছাড়াই বাণিজ্যিকভাবে কুমড়া চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন নুরুল ইসলাম। তিনি পাঁচ বছর ধরে এ নদীর চরে কুমড়া চাষ করেই সংসার চালাচ্ছেন।

কুমড়া চাষে সফলতায় ওই অঞ্চলের সবাই নদীর দু-মুখো ঘাট এলাকার চরটিকে কুমড়া বাড়ি বলে ডাকেন। কৃষক নুরুল ইসলাম দিনাজপুর সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউপির ঝানঝিরা চেয়ারমান পাড়ার অধিবাসী। নদীর চরে চাষ করেই ছয়জনের সংসার সচ্ছলভাবে চালাচ্ছেন। তিনি আত্রাই নদীর চরের তিন একর জমিতে কুমড়া আবাদ করেন। বাণিজ্যিকভাবে এ কুমড়া আবাদে ব্যয় হয়েছে মাত্র ৪৫ হাজার টাকা। আর এই খেত হতে এরই মধ্যে ৪০০ টাকা মণ দরে ৫০ মণ কুমড়া ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। আরও ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার কুমড়া বিক্রয়ের আশা করছেন তিনি।

নুরুল ইসলাম জানান, আত্রাই খরসে াতা নদীর এ চরে কার্তিক মাস থেকে বৈশাখ মাস পর্যন্ত ভালোভাবে চাষ করা যায়। সামান্য পরিচর্যা ছাড়া কোনো প্রকার কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। উৎপাদিত কুমড়া দিনাজপুরের আশপাশের জেলা ছাড়াও রাজধানী ঢাকায় পাইকারি বাজারে সরাসরি বিক্রয় করা হয়। কৃষি বিষয়ে তেমন কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না। তবে ধান চাষ করি। কিন্তু কুমড়া চাষে বেশি লাভবান হওয়ায় এখন কুমড়া চাষ করি। রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি বাজারে ৩৫০-৪০০ টাকা মণ দরে ইতিমধ্যে ৫০ মণ কুমড়া বিক্রয় করেছি। তবে চাহিদা বেশি থাকায় মাঝে মধ্যে মণপ্রতি ৪৫০-৫০০ টাকা দরেও বিক্রয় করা যায়। এই খেত হতে প্রায় দেড় লাখ টাকার কুমড়া বিক্রয়ের আশা করছি। আগামীতে আরও ব্যাপক পরিসরে কুমড়া চাষের পরিকল্পনা গ্রহণ করার চেষ্টা করছি।

সর্বশেষ খবর