Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৮

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৯ অক্টোবর, ২০১৭ ২৩:২০
পেপাল আসছে ১৯ অক্টোবর
নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থ স্থানান্তরের আন্তর্জাতিক অনলাইন প্লাটফরম পেপাল বাংলাদেশে চালু করা হচ্ছে ১৯ অক্টোবর। অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো, ২০১৭-এর দ্বিতীয় দিন পেপাল সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। গতকাল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। উল্লেখ্য, মার্কিন কোম্পানি পেপাল হোল্ডিংস বিশ্বব্যাপী অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম হিসেবে কাজ করে। এটি অনলাইনের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর পদ্ধতি ও প্রচলিত কাগুজে পদ্ধতির বিকল্প ইলেকট্রনিক পদ্ধতি হিসেবে কাজ করে। জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সোনালী, রূপালী ব্যাংকসহ নয়টি ব্যাংকে পেপাল সেবা পাওয়া যাবে। বেশ কিছু দিন ধরেই পেপাল কর্তৃপক্ষ বাজার যাচাইসহ নানা পরীক্ষা চালিয়েছে। সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের কথা ভেবে বাংলাদেশে পুরোপুরি পেপাল সেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা উপকৃত হবেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক আরও বলেন, ‘ডিজিটাল লেনদেন, ক্যাশলেস সোসাইটির দিকে যাচ্ছি আমরা। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের ক্ষেত্রে এ ধরনের সেবা চালু করা গুরুত্বপূর্ণ। পেপাল চালু হওয়ায় নয়টি ব্যাংকের ১২ হাজার শাখা থেকে সেবা পাওয়ার সুযোগ হবে। দীর্ঘদিন ধরেই পেপাল সেবাটি চালু করার চেষ্টা ছিল। এবারে ডিজিটাল বাংলাদেশের সফলতায় আরেকটি মুকুট যুক্ত হলো। এতে রেমিট্যান্স আহরণ সহজ হবে এবং রেমিট্যান্সের প্রবাহও বাড়বে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বর্তমান জনসংখ্যার বেশির ভাগ তরুণ। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বিশ্বে প্রশংসিত। গুগল-ফেসবুকের অনেক সেবা তাই বাংলাদেশে আসছে। ফেসবুক বাংলাদেশে ১০ হাজার তরুণকে ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবে। ২০২১ সাল নাগাদ তথ্যপ্রযুক্তিতে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রার পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিমূলক কাজের অংশ এগুলো। জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিলে দেশে পেপাল চালুর জন্য প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বাংলাদেশে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করার আহ্বানে সাড়া দেয় প্রতিষ্ঠানটি। এর অংশ হিসেবে আগামী ১৯ অক্টোবর এই সেবা চালু হতে যাচ্ছে। যার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow