Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শনিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:৪৮
বসুন্ধরায় মনোমুগ্ধকর লেজার শো
মাইলফলক বিদ্যুৎ খাতে
নিজস্ব প্রতিবেদক
বসুন্ধরায় মনোমুগ্ধকর লেজার শো

দেশের বিদ্যুৎ খাত ২০ হাজার মেগাওয়াটের মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে। আর এই মাহেন্দ্রক্ষণকে স্মরণীয় করে রাখতে গতকাল রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় বর্ণিল আলোক উৎসবের আয়োজন করা হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় এ আয়োজন করে। আয়োজনে ছিল চোখ ধাঁধানো লেজার শো ও আতশবাজির ঝলকানি। ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা ছাড়াও রাজধানীর হাতিরঝিল ও সদরঘাটে সন্ধ্যায় আলোক উৎসবের আয়োজন করা হয়। হাতিরঝিলে সন্ধ্যা ৭টায় আলোক উৎসবের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। সন্ধ্যায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে আলোক উৎসব দেখতে হাজির হন সব বয়সী এবং শ্রেণি-পেশার মানুষজন। ঠিক সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট বাজতেই আলোক উৎসবের মূল মঞ্চের সামনে মেশিনের সাহায্যে ঘন ধোঁয়া ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর সুরের তালে তালে শুরু হয় লেজার শোর প্রদর্শনী। শোর একটি অংশে বিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন তথ্য ও সাফল্যের প্রদর্শনী উপস্থাপন করা হয়। এরপরই আতশবাজি পোড়ানো শুরু হয়। একে একে বর্ণিল আতশবাজি আকাশে গিয়ে জ্বলে উঠে, আর আতশবাজির শব্দে চারপাশে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত দর্শকরাও আনন্দ ধ্বনি দেন। আগতদের অনেকেই সুন্দর মুহূর্তটি ধরে রাখতে ক্যামেরায় ছবি তোলেন। কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভ করেন পুরো আলোক উৎসবের আয়োজন।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা শহিদুল আলম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, তার পরিবারকে নিয়ে তিনি এসেছেন আলোক উৎসব দেখতে। তিনি বলেন, ‘পত্রিকা পড়ে এই উৎসবের খবর পাই। ছুটির দিন থাকায় পরিবারের সঙ্গে একটু ভালো সময় কাটাতে এখানে চলে এসেছি। আমার সন্তানরা আতশবাজি পোড়ানো এর আগে দেখেনি। এখন দেখতে পেয়ে তারা খুব খুশি।’

এর আগে সরকার ২০১৬ সালে আলোক উৎসবের আয়োজন করে। সে সময় দেশের বিদ্যুৎ খাত ১৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার মাইলফলক স্পর্শ করে।

up-arrow