Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শনিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:৫২
থানায় রাতভর তিন যুবককে নির্যাতন
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
bd-pratidin

বিনা কারণে তিন যুবককে থানায় আটকে রেখে রাতভর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ওসি আবদুল খালেকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানায়। কুমারখালী পৌর শহরের সোনালি হস্তশিল্প নামের প্রতিষ্ঠানের সাঈদ বিশ্বাসের কাছ থেকে সম্প্রতি একটি দোকান ক্রয় করেন পৌর এলাকার বাসিন্দা আবদুল মজিদের ছেলে রাসেল কবির। আবদুল মজিদ কুষ্টিয়া জেলা জজ আদালতে চাকরি করেন। জসিম নামের এক ব্যবসায়ী রাসেলের কেনা দোকানটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে পৌরসভায় একটি নালিশ দেন। এরপর পৌরসভাকে ম্যানেজ করে তিনি দোকানটি ভেঙে দেন। পরে ওই দোকানের জায়গাটি জসিম দাবি করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষ আদালতে মামলা করে। আদালত নিষেধাজ্ঞা দেয় কোনো পক্ষ সেখানে যাবে না। এদিকে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ওসি খালেকের সহযোগিতায় জসিম জোর করে কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে রাসেল তার ভাই ও মামাকে সঙ্গে নিয়ে বাধা দেন। এরপর থানা থেকে পুলিশ এসে রাসেল কবির, তার ভাই রাসেদুল ইসলাম রানা ও মামা রেজাউল হককে থানায় নিয়ে আটকে রাখে। রাতভর তাদের ওপর নির্যাতন চালান এসআই বিপ্লবসহ আরও কয়েকজন। রাসেলের পিতা আবদুল মজিদ অভিযোগ করে বলেন, ‘জসিমের কাছ থেকে ওসি আবদুল খালেক মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়ে আমার দুই ছেলে ও শ্যালককে ধরে নিয়ে থানায় আটকে রেখে রাতভর নির্যাতন করেছেন। মিথ্যা মামলায় চালান দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। আমার দোকানের পুরোটাই ভেঙে দিয়েছেন তারা। আমি ওসির বিরুদ্ধে প্রয়োজনে মামলা করব।’ ওসি আবদুল খালেকের বিরুদ্ধে এরকম ভূরি ভূরি অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি বলেন, ‘আদালত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তার একটি সাইনবোর্ড লাগানো আছে। অন্যায়ভাবে ওসি ও পৌর মেয়রকে ম্যানেজ করে জসিম দোকান ভেঙে দিচ্ছে। এটা আদালত অবমাননার শামিল।’

এ ব্যাপারে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল খালেক বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে আমি কিছু জানি না, আর দোকান ভেঙেছে পৌরসভা। থানায় মামলা ও জিডি দিতে কোনো অর্থ লাগে না বলেও দাবি করেন তিনি।

 

এই পাতার আরো খবর
up-arrow