Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:৩২
লাল শাপলার বিল
সাইফউদ্দীন আহমেদ লেনিন, কিশোরগঞ্জ
লাল শাপলার বিল
bd-pratidin

বিলজুড়ে কালো জল আর সবুজ পাতার ফাঁক গলে ফুটে আছে লাল শাপলা। যেদিকে চোখ যায় শুধু শাপলা আর শাপলা। বিলের শান্ত কালো জলে ভেসে থাকা লাল শাপলার সৌন্দর্য দেখে যে কারও মন ভরে যাবে। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মসূয়া রৌহা ডুবি বিলে ফুটে আছে এই লাল শাপলা।

লাল শাপলার কারণে রৌহা ডুবি বিলটিকে শাপলা ডুবি বিল নামে ডাকতে শুরু করেছেন এখানকার মানুষ। সৌন্দর্য পিপাসুরা লাল শাপলার আকর্ষণে ছুটে আসেন এখানে। দেখে মুগ্ধই হন না শুধু, বিলের পানিতে নেমে তুলেও আনেন লাল শাপলা। বিলিয়ে দেন প্রিয়জনকে। অনেকেই আবার সবজি হিসেবেও ব্যবহার করেন শাপলা। ভেষজ গুণের কারণে চিকিৎসার কাজেও নিয়ে থাকেন কেউ কেউ। হৃদরোগসহ নানা রোগে লাল শাপলা ব্যবহূত হয় বলে জানা গেছে। অপরূপ সৌন্দর্যের কারণে স্থানীয়রা এলাকাটিকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন। রৌহা ডুবি গ্রামের বাসিন্দা ডা. কানিস ফাহমিদা জানান, এখানকার লাল শাপলার সৌন্দর্যে সবাই মুগ্ধ। এর আকর্ষণে দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই ছুটে আসেন। শুধু তাই নয়, সবজি হিসেবেও এই লাল শাপলা অনেক সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। তাছাড়া ভেষজ চিকিৎসকরা এই লাল শাপলা দিয়ে নানা রোগের চিকিৎসাও করে থাকেন। কটিয়াদী উপজেলার মসূয়া ইউনিয়নের দুটি ব্লকের দায়িত্বে নিয়োজিত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাকির হোসেন জানিয়েছেন, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ নিলে এলাকাটি একদিকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে, অন্যদিকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যবহার হতে পারে এখানকার লাল শাপলা।

up-arrow