Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:৩৬
শেখ হাসিনাকে হত্যাই ছিল গ্রেনেড হামলার উদ্দেশ্য : আইনজীবী
নিজস্ব প্রতিবেদক
bd-pratidin

‘২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার টার্গেট ছিলেন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তাকে হত্যা করাই ছিল গ্রেনেড হামলার উদ্দেশ্য।’ ওই হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গতকাল যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল। রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডে পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত বিশেষ এজলাসে ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিনের আদালতে এসব বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি। আজও রাষ্ট্রপক্ষের আইনি পয়েন্টে যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য রয়েছে। যুক্তিতর্কে কাজল বলেন, ভয়াবহ এ হামলার পেছনে বিএনপি নেতা সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবরের প্রত্যক্ষ ইন্ধন ও চক্রান্ত রয়েছে। গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা হাওয়া ভবনসহ ১০টি স্থানে বৈঠক করেছিলেন। বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ হামলা ও চক্রান্তকারীদের হাওয়া ভবনে বৈঠকের ব্যবস্থা করেন। এ মামলায় প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে। কাজল বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার টার্গেট ছিলেন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তাকে হত্যা করাই ছিল গ্রেনেড হামলার উদ্দেশ্য। আর এর মাস্টারমাইন্ড ছিলেন তারেক রহমান। অন্য দেশে হলে এ ঘটনায় রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা আর রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে সব আসামির ফাঁসি হতো। এ সময় এ মামলায় জামিনে থাকা সব আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আবেদনের পাশাপাশি সবার সর্বোচ্চ শাস্তিও দাবি করেন রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী। কাজল ছাড়াও আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান, বিশেষ পিপি মো. আবু আবদুল্লাহ ভুঁইয়া, আইনজীবী আকরাম উদ্দিন শ্যামল, অ্যাডভোকেট ফারহানা রেজা, অ্যাডভোকেট আমিনুর রহমান, আশরাফ হোসেন তিতাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মামলার নথিসূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী শান্তিসমাবেশে দলীয় সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় দলীয় নেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন এবং আহত হন কয়েক শ মানুষ।

up-arrow