Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:১৮
গ্রেনেড হামলা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ
সাক্ষ্য-প্রমাণে সব ষড়যন্ত্র প্রমাণিত
নিজস্ব প্রতিবেদক

বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপক্ষ সব ষড়যন্ত্রই প্রমাণ করতে পেরেছে। ভয়াবহ ও নৃশংস এ গ্রেনেড হামলার অপরাধের আলামত ধ্বংস ও অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টাসহ আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

গতকাল আইনি পয়েন্টে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আকরাম উদ্দিন শ্যামল। রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত বিশেষ এজলাসে ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালতে এসব বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ওই ঘটনায় আনা পৃথক মামলার বিচার একই সঙ্গে চলছে এ আদালতে। গতকাল রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পিপি মো. আবু আবদুল্লাহ ভুঁইয়া ও আইনজীবী আকরাম উদ্দিন শ্যামল আইনি পয়েন্টে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান তার বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেন। এ যুক্তিতর্ক অসমাপ্ত অবস্থায় ১৭ ও ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম মুলতবি করেন বিচারক। যুক্তিতর্কে আকরাম উদ্দিন শ্যামল এ মামলার অধিকতর তদন্তের বিষয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, প্রসিকিউশন আবেদন করলে আদালত অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে। এ ছাড়া আদালত চাইলেও ন্যায়বিচারের স্বার্থে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে। এ মামলায় অধিকতর তদন্তে আইন ও পদ্ধতিগত কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। বিদ্যমান আইনে অধিকতর তদন্ত ও সম্পূরক অভিযোগপত্র বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। বিশেষ পিপি মো. আবু আবদুল্লাহ ভুঁইয়া তার যুক্তিতর্কে বলেন, ২১ আগস্ট হামলার উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের ক্ষমতা পাকাপোক্ত ও চিরদিনের জন্য স্থায়ী করা। আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্রশাসনিক সহায়তা, অপরাধ সংঘটনসহ সব অভিযোগের বিষয়ে সাক্ষ্য-তথ্য-প্রমাণ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ পেশ করেছে। তিনি আইনি পয়েন্টে বিভিন্ন রেফারেন্স আদালতে উপস্থাপন করেন। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী শান্তিসমাবেশে দলীয় সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় দলীয় নেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন এবং আহত হন কয়েক শ মানুষ।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow