Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:১০
চাঙ্গা আওয়ামী লীগ, মাঠে নেই বিএনপি
আকবর হোসেন সোহাগ, নোয়াখালী
চাঙ্গা আওয়ামী লীগ, মাঠে নেই বিএনপি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে উঠেছে নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ)। মাঠে নেমেছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। বাণিজ্য কেন্দ্র চৌমুহনী শহরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে ঝুলছে রং-বেরঙের ব্যানার পেস্টুন। নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে দলীয় কোন্দল থাকলেও সাংগঠনিকভাবে চাঙ্গা অবস্থায় রয়েছে আওয়ামী লীগ। গত কয়েক বছর আগেও বিএনপির দুর্গ হিসেবে খ্যাত ছিল আসনটি। এখন এটি আওয়ামী লীগের দখলে। অন্যদিকে তৃণমূলে দলীয় সমর্থন থাকলেও হামলা, মামলা আর হুলিয়া থাকায় মাঠে বিএনপির কর্মকাণ্ড নেই। আর অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে জামায়াতে ইসলামী। তবে এখানে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে জাতীয় পাটি ও জাসদ (রব)। এর বাইরে বিভিন্ন ইসলামী দল ও সমমনা দলগুলো তাদের উপস্থিতি জানান দেয় মাঝে মধ্যে সভা-সমাবেশের মাধ্যমে। আওয়ামী লীগে এখন দুটি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। একটি সংসদ সদস্য মামুনুর রশিদ কিরণ গ্রুপ। অন্যটি চৌমুহনী পৌর মেয়র আক্তার হোসেন ফয়সল গ্রুপ। দুই গ্রুপের মধ্যে বেশ কয়েকবার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। স্থানীয় বিএনপিতেও গ্রুপিং রয়েছে। একটি বরকত উল্লা বুলু গ্রুপ। অন্যটি মাজহারুল ইসলাম দোলন গ্রুপ।

বর্তমান সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরণ, সাবেক সেনা প্রধান মইন উ আহমেদের ছোট ভাই ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মিনহাজ আহমেদ জাবেদ, চৌমুহনী পৌর মেয়র আক্তার হোসেন ফয়সল ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এনায়েত উল্যাহ, ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী লুত্ফুন্নহার মুন্নীসহ বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চাচ্ছেন। তারা মাঠে ময়দানে সক্রিয় রয়েছেন। নিজের মতো করে তারা নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন।  বিএনপি থেকে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্যাহ বুলু, বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম দোলন, বরকত উল্যাহ বুলুর স্ত্রী লাকী আক্তার, জেলা বিএনপি নেতা আবদুর রহিম। জাতীয় পার্টি থেকে বেগমগঞ্জ উপজেলা সভাপতি ফজলে এলাহী সোহাগ মিঞা দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। জাসদ থেকে সাবেক দুর্গাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জাসদ (রব) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আবদুল জলিল চৌধুরীর নাম শোনা যাচ্ছে। নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে লড়াই হবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে। এই আসনটি বিএনপির ভোট ব্যাংক হলেও বিগত দিনে নানা কর্মকাণ্ডে আওয়ামী লীগের অবস্থান অনেক শক্ত বলেই মনে করেন স্থানীয়রা। বিএনপির নেতা-কর্মীরা মামলা হামলায় জর্জরিত। তাছাড়া নানা কোন্দলের কারণে দলটির নেতা-কর্মীরা অনেকটা নীরব রয়েছেন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow