Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ২২:৫৮
রা জ নী তি
মার্চে উপজেলা ভোটে বিএনপি না গেলেও যেতে চায় জামায়াত
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিবন্ধন জটিলতায় দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ না থাকলেও আগামী মার্চে অনুষ্ঠেয় উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে অংশ নিতে চায় জামায়াতে ইসলামী। একাধিক মামলা-মোকদ্দমা মাথায় নিয়েও প্রার্থী দেওয়ার ব্যাপারে দলটির ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। তবে জোটপ্রধান বিএনপি ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে নানা অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে ৩৩টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয় জামায়াত। ভাইস চেয়ারম্যান পদে দলটির সাফল্য চমৎকার। এই পদে জয়ী হয় ১০৯ জন জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী। এ ছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছে ৩১টি উপজেলায়। জানতে চাইলে জামায়াতের ভাটারা থানা মজলিসে শূরা সদস্য আবদুর রহমান খোকা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, জামায়াতে ইসলামীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থানীয় পর্যায়ের সব নির্বাচনে অংশ নেবে।  সে অনুযায়ী স্থানীয় নির্বাচনের জন্য সারা দেশে জামায়াতের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হচ্ছে। তিনি জানান, তারই ধারাবাহিকতায় মার্চের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জামায়াত। তবে জোটগতভাবে সমঝোতা হলে জামায়াত আসন ছেড়ে দেবে। তিনি জানান, দমন-পীড়নের আশঙ্কায় স্থানীয় নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিল করা জামায়াতের প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে না। জামায়াত নেতা-কর্মীরা জানান, যেসব উপজেলায় নির্বাচন হচ্ছে তার অনেকগুলোতে জামায়াতের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা রয়েছেন। তাই জামায়াত তাদের দখলে থাকা আসনগুলো হাতছাড়া করতে নারাজ। অতীতে যারা প্রার্থী ছিলেন, তাদেরই আবার মনোনয়ন দেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রার্থীদের যোগ্যতা, আঞ্চলিক ক্ষমতা, স্থানীয় প্রভাব এবং  ভোটের হিসাব মাথায় রেখে সামাজিকভাবে যাদের অবস্থান ভালো তাদেরও এবার প্রার্থী করা হবে। জামায়াত নেতাদের মতে, ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনের ভরাডুবির পর জামায়াত নীতি-নির্ধারকরা মার্চের স্থানীয় নির্বাচনকে খুবই গুরুত্ব দিচ্ছেন। তারা বলছেন, দলীয় প্রতীক ব্যবহার করতে না পারলে স্বতন্ত্রভাবে জামায়াতের সব প্রার্থী যেন একই প্রতীক পেতে পারেন সে চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। জানা যায়, এবার উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে পাঁচ ধাপে। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে বলে সোমবার জানিয়েছেন ইসি সচিব  হেলালুদ্দীন আহমদ। এ লক্ষ্যে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করবে ইসি। বাংলাদেশে বর্তমানে ৪৯২টি উপজেলা রয়েছে। সর্বশেষ ২০১৪ সালের মার্চ-মে মাসে ছয় ধাপে এর অধিকাংশগুলোতে ভোট হয়েছিল। আইনে মেয়াদ শেষের পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে ভোট করার বাধ্যবাধকতা আছে। আট বিভাগের  ভোট হবে চার দিনে। অর্থাৎ একদিনে দুটি বিভাগে ভোট হবে। বাকি  যেগুলো থাকবে, সেগুলোতে ভোট হবে পঞ্চম ধাপে। উপজেলা ভোটেও ব্যবহার হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন। জেলার সদর উপজেলায় পুরোপুরি ইভিএম ব্যবহার করা হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow