Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ ২৩:২১

বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে আদালতে আসা লজ্জার : হাই কোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে  আদালতে আসা লজ্জার : হাই কোর্ট

নিজেদের মধ্যে মারামারির পর বিশ্ব ইজতেমা পালনে আদালতের নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করাকে ‘লজ্জার’ বলে মন্তব্য করেছে হাই কোর্ট। গতকাল এ-সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানিতে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এমন মন্তব্য করেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট শাহ মো. নুরুল আমিন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

শুরুতে রিটকারীর আইনজীবী শাহ মো. নুরুল আমিন আদালতের সামনে মামলার বিবরণীর ওপর শুনানি করেন। শুনানির একপর্যায়ে আদালত রিটকারী পক্ষের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা নিজেরা দুই ভাগে বিভক্ত হলে দীনের প্রচার করবেন কীভাবে? নিজেদের মধ্যে মারামারি করবেন আবার ইজতেমা পালনের জন্য আদালতে রিট দায়ের করবেন, এটা লজ্জার। আগে নিজেরা সংশোধন হোন, সুস্থ হোন এবং নিজেদের মধ্যকার বিভেদ নিরসন করুন। এর পরই আপনাদের আবেদন শুনব।’ এরপর রিটকারীর আইনজীবী শাহ মো. নুরুল আমিন আদালতকে বলেন, ‘দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসনের চেষ্টা চলছে। তবে দ্বন্দ্ব নিরসন সম্ভব না হলে সরকার দুই পক্ষকে আলাদা আলাদাভাবে ইজতেমা পালনের যে নির্দেশনা দিয়েছে তা-ই পালন করা হবে।’ এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু আদালতকে জানান, বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে বুধবার (আজ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি জরুরি সভার দিন নির্ধারণ রয়েছে। ইজতেমার বিষয়ে সেখান থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা আসতে পারে। রাষ্ট্রপক্ষের ওই শুনানির পর মামলাটির পরবর্তী শুনানি এবং শুনানি শেষে আদেশের জন্য আগামী ২৭ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করে হাই কোর্ট। এর আগে ২১ জানুয়ারি টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে বিশ্ব ইজতেমা করার নির্দেশনা চেয়ে হাই কোর্টে রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ইউনুস মোল্লা। রিট আবেদনে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ তিনজনকে বিবাদী করা হয়। রিট আবেদনে বাংলাদেশে তাবলিগের কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে পাঁচ দফা নির্দেশনা দিয়ে ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পরিপত্র পুনর্বহাল চাওয়া হয়। একই সঙ্গে ১৮ সেপ্টেম্বরের পরিপত্র স্থগিত করে একই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর জারি করা পৃথক আরেকটি পরিপত্র কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন জানানো হয়।


আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর