Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৫:০৬ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৯:০৮
যেসব রোগের মহৌষধ আতা ফল
অনলাইন ডেস্ক
যেসব রোগের মহৌষধ আতা ফল

আমাদের দেশে বাড়ির আঙ্গিনা ও বনে-জঙ্গলে এক চমৎকার ফল জন্মে থাকে। তার নাম আতা।

খেতে ভারি মিষ্টি এ ফল খুব সজলভ্য। পাকা আতার শাঁস মিষ্টি হয়ে থাকে। খাওয়ার সময় জিভে চিনির মতো মিহি দানা দানা লাগে।

এই ফলের ভেতরে থাকে ছোট ছোট কোষ। প্রতিটি কোষের ভেতরে থাকে একটি করে বীজ। বীজকে ঘিরে থাকা নরম ও রসালো অংশটিকেই খেতে হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ ও শর্করা জাতীয় খাদ্য উপাদান রয়েছে। এছাড়া কিছু ভেষজ গুণও রয়েছে। প্রয়োজনীয় ভিটামিন থেকে মিনারেল, কী নেই আতায়? চোখ থেকে চুল, হাঁপানি থেকে হার্টের অসুখ, সবকিছুর সমাধান পেয়ে যাবেন এই ফলটিতে।

পাঠকদের জন্য আতা ফলের ১০টি গুণের কথা তুলে ধরা হলো।

১. চোখে ভালো রাখে : আতায় রয়েছে ভিটামিন এ। যার কাজ হল কর্নিয়া ও রেটিনাকে সুরক্ষিত রাখা।

২. ত্বক ও চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায় : ভিটামিন এ শুধু চোখই ভালো রাখে না, আমাদের ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতেও এর জুড়ি নেই। চুলকেও পরিপুষ্ট করে।

৩. ওজন বাড়াতে সাহায্য করে : যারা স্বাস্থ্য ফেরাতে চাইছেন বা একদমই রোগা, অপুষ্ট শরীর দিনে কয়েকটা করে আতা খেলে গায়েগতরে মাংস লাগবে। তবে, যাদের ভারী শরীর, হিসেব করে আতা খাওয়া উচিত। ডায়াবেটিকের রোগীদের একদমই আতা খাওয়া চলবে না।

৪. হাঁপানির হাত থেকে স্বস্তি দেয়: যাদের অ্যাজমার টান রয়েছে, তাদের উচিত নিয়মিত আতা খাওয়া। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন বি-৬ শ্বাসনালীর প্রদাহকে কমায়। ভবিষ্যতে অ্যাজমার হাত থেকে বাঁচতে চাইলে, সুরক্ষাকবচ হিসেবে আতা খান।

৫. হার্টের অসুখের ঝুঁকি কমায় : আতায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম কার্ডিয়াম মাসেলকে রিল্যাক্সে রাখতে সাহায্য করে। ফলে, হার্টের অসুখের ঝুঁকি কমে।

৬. রক্তাচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে : আতার মধ্যে পটাসিয়াম রয়েছে। এই খনিজ উপাদানটি রক্তবাহের প্রাচীরকে রিলাক্সে রাখতে সাহায্য করে। যে কারণে রক্তচাপ ক্রমে নিয়ন্ত্রণে আসে।

৭. কোলেস্টেরল কমায়: এই ফলটিতে রয়েছে নিয়াসিন ও ফাইবার। এই উপাদানটি গুড কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ব্যাড কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে বের করে দেয়।

৮. রক্ত শূন্যতা দূর করে: অ্যানিমিয়া বা রক্ত শূন্যতায় যারা ভুগছেন, তাদের জন্য আতা খুব উপকারী ফল। এটি আয়রনে পরিপূর্ণ। লোহিত রক্তকণিকা বাড়তে সাহায্য করে।

৯. এনার্জির একটা বড় উৎস : আতার মধ্যে রয়েছে থিয়ামিন। এই থিয়ামিন খাবারকে এনার্জিতে রূপান্তরিত হতে সাহায্য করে। যে কারণে আতা খেলে শরীর চনমনে থাকে।

১০. হাড় মজবুত করে : আতায় রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম। যার কাজ হল ভিটামিন ডি সংশ্লেষ সহায়তা করা। হাড়ের মজবুত গঠনের জন্য ভিটামিন ডি জরুরি।

বিডি প্রতিদিন/৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭/এনায়েত করিম

আপনার মন্তব্য

up-arrow