Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৫:৪২ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২১:৫৩
স্মৃতিশক্তি কমে যেতে পারে যেসব কারণে
অনলাইন ডেস্ক
স্মৃতিশক্তি কমে যেতে পারে যেসব কারণে

সর্বদা ভারসাম্যপূর্ণ খাবার এবং ব্যায়াম মস্তিষ্কের জন্য উত্তম বলে মনে করেন স্বাস্থ্যবিদরা। আর এতে আলঝেইমার্সের মতো রোগের ঝুঁকি কমে আসে।

এটা সেই রোগ যার কারণে স্মৃতিশক্তির বারোটা বেজে যায়। ক্রমেই ক্ষয় ঘটে স্মৃতিশক্তির। বয়সের সঙ্গে এ রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। স্মৃতিশক্তি নষ্টের আরো কিছু অদ্ভুত কারণ বিশেষজ্ঞরা মতে নিচে তুলে ধরা হলো-

১. অপর্যাপ্ত ঘুম 
আপনার মস্তিষ্ক যথেষ্ট বিশ্রাম নিতে পারছে না পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে। এমন চলতে থাকলে যে প্রোটিনের কারণে আলঝেইমার্সের ঝুঁকি বাড়ে তার উৎপাদন শুরু হতে থাকে মস্তিষ্কে। মাথাকে স্বাস্থ্যবান রাখতে অবশ্যই যথেষ্ট ঘুম দরকার। তাই ঘুমের অভাবে স্মৃতিশক্তি বিপর্যস্ত হতেই পারে।

২. পরিবেশগত দূষণ
পানি দূষণ, বায়ু দূষণ নিয়ে আমরা কতো কথাই তো বলি। সবমিলিয়ে পরিবেশ দূষণ কিন্তু মস্তিষ্কে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। ২০১৭ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, দূষিত পরিবেশে বাস করেন এমন বয়স্ক নারীদের স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকি অনেক বেশি। দূষণ ঘটানো উপাদানগুলো আমাদের দেহে প্রবেশ করে ইনফ্লেমেশন সৃষ্টি করে। খুব দ্রুত আলঝেইমার্স দেখা দিতে পারে এ কারণে।

৩. খাদ্যাভ্যাসে অনিয়ম
অসময়ে খাওরার অভ্যাস কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। তেমনি ভালো নয় স্মৃতিশক্তির জন্যেও। সময়ের চেয়ে দেরি করে খুব বেশি পরিমাণ খেলে ভয়াবহতার মাত্রা আরো বৃদ্ধি পায়। আলঝেইমার্স রোগীদের দ্রুত রাতের খাবারের পর সকালের নাস্তার আগে কোনো কিছু খেতে মানা করেন চিকিৎসকরা।

৪. একাকিত্ব
বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে, পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকার কারণ স্মৃতিশক্তিতে বিরূপ প্রভাব ফেলে। মোটকথা একাকিত্ব মস্তিষ্কের বারোটা বাজায়। তবে অনেকে বলেন, একাকী থাকার কারণে আলঝেইমার্স হয় না। বরং আলঝেইমার্সে আক্রান্তরা ধীরে ধীরে সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।

৫.  উচ্চরক্তচাপ ও পারিবারিক ইতিহাস
উচ্চরক্তচাপ দেহ ও মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। তাই নিয়মতি রক্তচাপ পর্যবেক্ষণে রাখা জরুরি। মন ও দেহের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানের জন্য দেহে কোলেস্টরেলের মাত্রা বজায় রাখা প্রয়োজন। নয়ত স্মৃতিশক্তি নষ্ট হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া পরিবার বা বংশে কারো যদি এ রোগ হয়ে থাকে, তো আপনারও হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। যাদের বংশের ইতিহাসে আলঝেইমার্স রয়েছে তাদের মাথায় যেন আঘাত না লাগে সে বিষয়ে সাবধান থাকতে হবে।

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার

আপনার মন্তব্য

up-arrow