Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০৯:০৯ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ ১০:৪৫
আপনার যে খারাপ স্বভাব ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করে
অনলাইন ডেস্ক
আপনার যে খারাপ স্বভাব ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করে
প্রতীকী ছবি

চেহারার যত্ন করেন, অথচ ত্বক ক্রমশই নিষ্প্রাণ হচ্ছে। তার স্বাভাবিক জেল্লা হারাচ্ছে মুখ। এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয়। 

আসলে ত্বকের যত্ন নিলেও এমন কিছু ছোটখাটো ভুল আমরা প্রায়ই করি, যার প্রভাবে জেল্লা হারায় চামড়া। ত্বক ভাল রাখতে কেবল যত্ন নিলেই চলে না, দরকার কিছু জরুরি বিষয়ে সতর্ক হওয়াও।


দৈনিক জীবনযাপনে আপনিও কি এমন কিছু ভুল করে বসছেন, যার প্রভাবে আপনারও ত্বক সমস্যায় পড়ছে নিয়ত? কয়েকটা সহজ নিয়ম মেনে চললেই মিটতে পারে সে সমস্যা। ত্বককে প্রাণবনত রাখতে কোন কোন স্বভাব আজই ছাড়তে হবে জানেন?

ধূমপান: ত্বকের যত্নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা ধূমপান। শুধু হৃদরোগ বা ফুসফুসের ক্যানসার ডেকে আনাই নয়, ত্বকেরও প্রভূত ক্ষতি করে সিগারেটের নিকোটিন। এ ছাড়া সিগারেটের কার্বন মনো অক্সাইড ত্বকেল অক্সিজেন পৌঁছনোর পথেও বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ফলে ত্বক শুকনো হয় দ্রুত।

তেল-মশলা: খাবারের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করা তেল-মশলার পরিমাণ কমাতে না পারলে ত্বকের ক্ষতি প্রতিরোধ প্রায় অসম্ভব। শরীরের অরিকিক্ত তেল ত্বকের কোষের মুখগুলিকে আটকে দেয়। এর প্রভাবে ব্রণর শিকার হতে হয় অনেককেই।

গরম পানি: সারা শীতকাল জুড়ে গরম পানি দিয়ে মুখ ধোন? পারলে আজই ছাড়ুন এই অভ্যাস। গরম পানি ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতাকে নষ্ট করে ও ত্বকের প্রয়োজনীয় তেলকে সরিয়ে দেয়। ফলে চামড়া কুঁচকে যাওয়া থেকে রুক্ষ হওয়া, সবটাই ঘটে গরম পানির কারণে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

ইচ্ছামতো ওষুধ: চিকিৎসকের পরামর্শ না মেনে ইচ্ছামতো ওষুধ কেনেন নিজেই? শরীরের জন্য তো বটেই, ত্বকের জন্যও খুব ক্ষতিকর এই স্বভাব। বেশ কিছু বাজারচলতি প্রচলিত ওষুধ অনেক সময় ত্বকের নানা ক্ষতি করে। সকলের ত্বকের প্রকৃতিও সমান হয় না। সব ত্বকের সঙ্গে খাপ খায় না সব ধরনের ওষুধ। অথচ সে সব না জেনেই যথেচ্ছ ওষুধ কেনার এই ‘অসুখ’ ক্ষতি করে ত্বকেরও।

প্রসাধনী: বিজ্ঞাপনী চমক বা লোকমুখে শুনেই প্রসাধন কেনার স্বভাব আছে? তা হলে সতর্ক হোন। প্রত্যেকের ত্বকের প্রকৃতি আলাদা হওয়ায় সব প্রসাধন সামগ্রী সকলের ত্বকের সঙ্গে খাপ খায় না। তাই এ সব খুঁটিনাটি না জেনে, প্রসাধনীতে ব্যবহৃত উপাদান না জেনে তা কিনে ফেলা মোটেও উচিত কাজ নয়। তাই প্রসাধনী কেনার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

 

আপনার মন্তব্য

up-arrow