Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০৩:৩৪
খেলাচ্ছলেই চিড়িয়াখানার ভাল্লুক খুঁজে পেল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গ্রেনেড!
অনলাইন ডেস্ক
খেলাচ্ছলেই চিড়িয়াখানার ভাল্লুক খুঁজে পেল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গ্রেনেড!
ইউকা

খেলার জন্য কত কিছুই না আছে। বল আছে বা গাছের ফল আছে।

কিন্তু এগুলো একটিও পছন্দ হয়নি ভাল্লুকটির। তাই কেহার জন্য পোল্যান্ডের চিড়িয়াখানার ভাল্লুকটি কি না শেষে খুঁজে বের করল একটা গ্রেনেড! সেই গ্রেনেড আবার যেন তেন কোন গ্রেনেড নয়। গ্রেনেডটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমসাময়িক।

শুনতে অবাক লাগলেও এমন ঘটনা ঘটেছে। আর এই ঘটনা ঘটেছে পোল্যান্ডের পোজনানের চিড়িয়াখানায়। আর এরকম একটি খবর শুনে আর দশ জন সাধারণ মানুষ যেমন চোখ কপালে তুলবেন, চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের সাথেও ঠিক সেটাই ঘটেছে।

চিড়িয়াখানার তরফে জানিয়েছেন মালগোরজাটা চোদিলা, ঘটনাটা জানতে পারারা সাথে সাথেই তাদের শিরদাঁড়া বেয়ে একটা ঠাণ্ডা হিমেল স্রোত বয়ে যায়। যে ভাল্লুক এর কথা এতক্ষন ধরে বলা হচ্ছে তার নাম ইউকা। ইউকা একটি মাদি ভাল্লুক। ইউকা এমনিতে বেশ শান্তশিষ্টই। কোনও কিছু নিয়েই সে কোন দিনই বিপদে ফেলেনি চিড়িয়াখানার লোকজনকে। আর সেই ইউকাই কিনা শেষ পর্যন্ত এমন একটা কাণ্ড করে বসলো।

অবশ্য, এখানে ইউকাকে কিন্তু কোন ভাবেই দোষ দেয়া যায় না। ইউকা বেচারি তো আসলে বুঝতেই পারেনি যে সে যেটা নিয়ে খেলছে সেটা আদতে এক বিস্ফোরক। চিড়িয়াখানার যে অংশে ইউকাকে ঘিরে রাখা হয়েছিল, সেখানকার খেলতে খেলতেই মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে গ্রেনেডটা পেয়ে যায় সে! তার পর আর তার আনন্দ দেখে কে! সে তো ভেবেছে এটাও কোন নতুন একটি খেলনা।  

বর্ডার ভিজিটিং অফিসাররা ব্যাপারটা আবিষ্কার করার পরে যখন গ্রেনেডটা ইউকার কাছ থেকে আদায় করতে যান, তখনই সমস্যার শুরু হয়। ইউকা তো তার নতুন খেলনা কিছুতেই হাতছাড়া করবে না। আর ওদিকে গ্রেনেডটা ফেটে যাওয়ার ভয়ে সবাই রীতিমত আতঙ্কিত।

শেষ পর্যন্ত তাই খবর দিয়ে আনা হয় সেনাবাহিনীকে। তারা এসেই পুরো চিড়িয়াখানা ফাঁকা করে ফেলেন। তারপর অনেক চেষ্টার পর ইউকার হাত থেকে উদ্ধার করেন গ্রেনেডটাকে। উদ্ধারের পর এক ঝলক দেখেই বুঝতে পারেন তারা যে এটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি গ্রেনেড


তারপর তারা সেটাকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলতে সক্ষম হন! তবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গ্রেনেড ওই জায়গায় এল কী করে, তাই নিয়েই এখন চিন্তিত। যাই হোক, ইউকা তো বটেই, বাকিরাও যে সুস্থ আর অক্ষতই আছে এটাই এখন আনন্দের বিষয়।

সূত্রঃ সংবাদ প্রতিদিন

বিডি-প্রতিদিন/৩০সেপ্টেম্বর, ২০১৬/তাফসীর

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow