Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৯:০৭ অনলাইন ভার্সন
বাঘ-সিংহ নিয়েই দু'জনের সংসার! (ভিডিও)
অনলাইন ডেস্ক
বাঘ-সিংহ নিয়েই দু'জনের সংসার! (ভিডিও)

পোষা কুকুর বা বেড়ালের সঙ্গেও বোধহয় যা করা যায় না, জাস্টিন যতটা তার পোষ্যদের সঙ্গে করেন। তাও আবার কোন সাধারণ পোষ্য নয়, বাঘ, সিংহ, ক্যারাকল এবং জ্যাগুয়ার।

এই নিয়েই তার সংসার। সঙ্গে স্ত্রী রোজা এবং কন্যা ম্যাক্সিন-ও তাঁকে এ কাজে সাহায্য করেন। এক প্রকার নিঃস্বই হয়ে গিয়েছেন জাস্টিন ফার্নান্দেজ। তাও এঁদের থেকে নিজেকে আলাদা করার কথা স্বপ্নেও ভাবতে পারেন না। এক দিকে পুরো বিশ্বে যখন নির্বিচারে পশু নিধন চলছে, তখন এরাই মরুভূমির মধ্যে মরীচিকার মতো।

জাস্টিন জানিয়েছেন, এক সময় তার বিরাট বাংলো ছিল। আর তার সঙ্গে লাগোয়া বড় ফুটবল মাঠের আয়তনে একটি গাছে ঘেরা জায়গায় তাঁর পোষ্যদের থাকা ব্যবস্থা করেছিলেন। দিনে-রাতে থাকার জায়গা বাদেও তাতে ছিল বেশ কয়েকটি মিষ্টি জলের পুল। এর নাম দিয়েছিলেন জুগোমারো প্রিডেটর পার্ক।

প্রতি দিন এত পোষ্যদের খাবার জোগাড় করতে গিয়েই হিমশিম খেতেন জাস্টিন। তিনি জানাচ্ছেন, প্রতি দিন প্রায় ১ হাজার কেজি মুরগির মাংস কিনতে হয় তাঁকে। এ ছাড়াও এদের চিকিত্সান এবং অন্যান্য খরচ মিলিয়ে দিনে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার র‌্যান্ড (দক্ষিণ আফ্রিকার টাকা) খরচ করতে হয় তাঁকে। এত খরচ কুলিয়ে উঠতে পারছিলেন না। এর মধ্যেই পাওনাদারের তাগাদা আসতে শুরু করে। অবশেষে গত বছর বাংলো ছেড়ে পরিবার নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়তে হয় জাস্টিনকে। এর মধ্যে কয়েকটি প্রিয় পোষ্যকে হারাতেও হয় তাদের। কিন্তু হাল ছাড়াননি তাঁরা। অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে নিজেরা দিন কাটালেও পোষ্যদের যত্নের কোনও খামতি রাখেন না তাঁরা। রোজা বলেন, ‘৩-৪টি বাঘ-সিংহকে বিক্রি করলে আমরা প্রচুর টাকা পেয়ে যাব। যাতে আমাদের সব সমস্যা দূর হয়ে যাবে। কিন্তু আমরা তা করতে চাই না। এরা আমাদের সন্তানের মতো। এখন আমরা একটা গাড়িতেই সংসার পেতেছি। পোষ্যদেরও ঠিকমতো থাকার জায়গা দিতে পারছি না। ছোট্ট জায়গার মধ্যে কষ্ট করতে হচ্ছে। এ সব কিছু আমি সহ্য করতে রাজি আছি। কিন্তু ওদের ছাড়তে রাজি নই। সূত্র: এই সময়।

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার

 

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow