Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৮

প্রকাশ : ১৯ মার্চ, ২০১৭ ১২:০২ অনলাইন ভার্সন
মরুভূমির মাঝে দানবীয় হাতটি যে বার্তা দেয় সবাইকে!
অনলাইন ডেস্ক
মরুভূমির মাঝে দানবীয় হাতটি যে বার্তা দেয় সবাইকে!
সংগৃহীত ছবি

চিলের আটাকামা মুরভূমি পৃথিবীর অন্যতম শুষ্ক অঞ্চল হিসেবে খ্যাত। এই মরুভূমির এক প্রান্তরে হঠাৎই চোখে পড়তে পারে এক দানবীয় হাত। মরুর বালি ফুঁড়ে উঠে আসা হাতটি যেন থামতে বলছে কাউকে। আচমকা দেখলে মনে হতেই পারে, কোন সিনেমার সেট-এর দৃশ্য এটি। কিন্তু এই হাতটি একান্ত ভাবেই সত্য।

আসলে  ‘মানো দেল দেসিয়ার্তো’ বা ‘হ্যান্ড অফ দ্য ডেজার্ট’ ৩৬ ফুট উঁচু একটি ভাস্কর্য। চিলের প্রখ্যাত ভাস্কর মারিও ইররাজাবাল ১৯৯২ সাল এটিকে তৈরি করেন। দেখতে যত বিদঘুটেই হোক না কেন, কাউকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্য বা চমক তৈরির অভিপ্রায় ইররাজাবালের ছিল না। তিনি এই ভাস্কর্যটি তৈরি করেন একেবারেই এক দার্শনিক ভাবনা থেকে।

মহাবিশ্বের কাছে মানুষের ক্ষুদ্রতাকে বোঝানোর জন্যই ইররাজাবাল এই হাতটি তৈরি করেন। দিকচিহ্নহীন মরুর প্রান্তরে এই হাতটি মানুষকে যেন জানিয়ে দেয় তার ক্ষণস্থায়িত্ব, মহাপ্রকৃতির সামনে তার অসহায় অবস্থান। সেই সঙ্গে এটি যেন থামতে বলে অন্যায়কে, একাকীত্বকে, নির্যাতনকে। 

এই সুবিশাল ভাস্কর্যটিকে দেখলে মনে হতেই পারে, এটি মরুর বালু দ্বারাই নির্মিত। কিন্তু আসলে এটি এক সুবিশাল লৌহকাঠামোর উপরেই স্থিত। মরুভূমির আবওহাওয়ায় যাতে এই ভাস্কর্যটির কোনও ক্ষতি করতে না-পারে, তার ব্যবস্থাও নিয়েছিলেন শিল্পী ইররাজাবাল।

এই মুহূর্তে ‘হ্যান্ড অফ দ্য ডেজার্ট’ বিশ্বের অন্যতম বিস্ময় হিসেবেই পরিচিত। বছরের যে কোনও সময়ে বিপুল পরিমাণ পর্যটক ভিড় জমান এটি দেখতে। নিকটবর্তী শহর আন্তোফোগোস্তা থেকে প্যান-আমেরিকান হাইওয়ের পথে এই ভাস্কর্যের অবস্থান।

 


বিডি-প্রতিদিন/ ১৯ মার্চ, ২০১৭/ আব্দুল্লাহ সিফাত-১৩

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow