Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : ১৯ মে, ২০১৭ ২৩:৫৭ অনলাইন ভার্সন
আপডেট :
নারী পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণেই বিয়ে
অনলাইন ডেস্ক
নারী পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণেই বিয়ে

বিয়ে মানেই আনন্দ, উৎসবের মেজাজ, নিয়ম-কানুন পালনের ধুম। কিন্তু এত হইচইয়ের মাঝেও থাকে কিছু বেদনা।

তবে এতদিন যা হয়েছে,  তা এখন পরিবর্তন করা যাবে না এমন তো কোনও কথা নেই। চার হাত এক হওয়া নিয়ে কথা। তাতে অপ্রয়োজনীয় কয়েকটা নিয়ম না হয় বাদই গেল।

এমনটাই মনে করেন আশয় সহস্রবুদ্ধে ও শিওয়াড়া চথেওয়ালা। নাগপুরের এই দম্পতির বিশ্বাস বিয়ে মানে দু’টি মনের মিলন। দুই পরিবারের মিলন। এখানে দানপ্রথার কোনও গুরুত্বই নেই। কারণ কনে কোন সামগ্রী নয় যাকে দান করা যেতে পারে। তাই কন্যাদানের মতো অযাচিত প্রথা বাদ দিয়েই সাতপাকে বাঁধা পড়লেন দু’জনে। নিলেন ভবিষ্যত জীবনে একসঙ্গে পথ চলার শপথ। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমস্ত বাধা পার হওয়ার শপথ।

নবীন প্রজন্মের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন দুই পরিবারের প্রবীণরাও। আশয়ের বাবা আর কেউ নন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি বিনয় সহস্রবুদ্ধে। আর শিওয়াড়া বিজেপির ফরেন অ্যাফেয়ারস সেলের প্রধান বিজয় চথেওয়ালের কন্যা। চাইলে আরও বড় করে ছেলে-মেয়ের বিয়ে দিতেই পারতেন তাঁরা। অনেক হেভিওয়েট নেতা-নেত্রীরাই তা করে থাকেন। কিন্তু সে পথে তারা হাঁটতে নারাজ। এলাহি আয়োজনের চাইতে প্রগতিশীল চিন্তাধারাকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন তারা। সে কারণেই বিয়ের মন্ত্র পড়ার জন্য ডাকা হয়েছিল নারী পুরোহিতকে। সাধারণত পুরুষ পুরোহিতকেই বিয়েতে দেখতে যারা অভ্যস্ত, তাদের চোখে ঐতিহ্য ও প্রগতির মিশেলকে তুলে ধরার এর থেকে ভাল আর উপায় হতে পারে না বলেই মনে করে দুই পরিবার।

বিডি প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন

আপনার মন্তব্য

up-arrow