Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ১৯ জুন, ২০১৬ ১৫:৪১
'ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা রাষ্ট্রদ্রোহিতা'
নিজস্ব প্রতিবেদক
'ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা রাষ্ট্রদ্রোহিতা'

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেছেন, কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন কোনো দেশের ( ইসরায়েলের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই) সঙ্গে সম্পর্ক রেখে নিজ দল বা সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করলে তা রাষ্ট্রদ্রোহ হিসেবে বিবেচিত হবে। যার সবোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন।

সংসদের বাজেট অধিবেশনে আজ টেবিলে উত্থাপিত হাবিবুর রহমান মোল্লার (ঢাকা-৫) এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে এ তথ্য দেন। সরকারদলীয় এই এমপি লিখিতভাবে জানতে চান, ‘বাংলাদেশের হয়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে নিজ দল বা সরকার উত্খাতের ষড়যন্ত্র করলে রাষ্ট্রদ্রোহ হবে কিনা; দন্ডবিধির কত ধারায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যাবে; এই ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি কী; রাষ্ট্রদ্রোহের জন্য বিশেষ কোনো আইন করার ইচ্ছা সরকারের আছে কিনা? জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রচলিত আইনে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার বিচার চলতে পারে। ’

তিনি আরো জানান, আপাতত বিশেষ কোনো আইন করার প্রযোজন নেই। রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে দন্ডবিধির ১৮৬০-এর ১২০-খ, ১২১-ক, ও ১২৪-ক ধারায় মামলা রজু করা যাবে।

কারাগারে ধারণক্ষমতার তিনগুণ বন্দি : মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের (খুলনা-২) এক প্রশ্নের জবাবে  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  জানান, দেশের অধিকাংশ কারাগারে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ বা তিনগুণ বন্দি অবস্থান করছেন। তিনি জানান, জেলকোর্ড অনুযাযী প্রতিজন বন্দির শোবার জায়গা ৩৬ বর্গফুট হিসেবে কারাগারের ধারণক্ষমতা নির্ধারিত হয়।   

বন্দি আবাসন সমস্যা দূরীকরণে বর্তমান সরকার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কারাগারগুলো পুনঃনির্মাণে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড হাতে নিয়েছে জানিয়ে তিনি বর্তমান সরকার কারাগারের অব্যবস্থাপনা দূর ও সেবার মান বৃদ্ধি করার জন্য ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলো তুলে ধরেন।

ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ নেই  : মো. আবদুল্লার অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের মোট ৪৪২৭ কি. মি. সীমান্তের মধ্যে ৪১৫৬ কি. মি. সীমান্ত ভারতের সঙ্গে এবং ২৭১ কি. মি. সীমান্ত মিয়ানমারের সঙ্গে। মিয়ানমারের সঙ্গে ২৭১ কি. মি. সীমান্তের মধ্যে কোনো স্থানে কোনো বিরোধ নেই। তিনি আরো বলেন, ‘ভারতের সঙ্গেও বর্তমানে কোনো সীমান্ত  বিরোধ নেই। ভারতের সঙ্গে ছিটমহল, অপদখলীয় ভূমি অচিহ্নিত সীমানা ইত্যাদি বিষয়ে যে বিরোধ ছিল তা ১৯৭৪ সালে মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি এবং ২০১১ সালের প্রটোকল বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ফেনীর মুহুরী নদী এলাকা ব্যতীত সকল সীমান্ত এলাকার সীমানা পিলার স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বলেও মন্ত্রী জানান।


বিডি-প্রতিদিন/১৯ জুন ২০১৬/শরীফ




আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow