Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৭:১৬ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৭:১৭
নিজেকে 'ছায়া মেয়র' দাবি করা ইরাদ সিদ্দিকী রিমান্ডে
অনলাইন ডেস্ক
নিজেকে 'ছায়া মেয়র' দাবি করা ইরাদ সিদ্দিকী রিমান্ডে
ফাইল ছবি

তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের মামলায় আটক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকীর ছেলে চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকীকে চারদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর হাকিম খোরশেদ আলম এ আদেশ দেন।

কোতোয়ালি থানার পুলিশ ইরাদ সিদ্দিকীকে আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে। আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিন ভোরে চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকীকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগ।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইরাদ জানিয়েছেন, তিনি নেদারল্যান্ডসে থাকেন।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের কর্মকর্তা মো. আলিমুজ্জামান জানিয়েছেন, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগের সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং টিম কয়েকদিন ধরেই চৌধুরী ইরাদের কার্যক্রমের ওপর নজর রেখেছিল।   অনলাইন গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেওয়া, বঙ্গবন্ধু ও বর্তমান সরকারকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ ও অশ্লীল মন্তব্য করাসহ সারা দেশের একাধিক থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারের সময় ইরাদ সিদ্দিকীর কাছ থেকে ফেসবুক পরিচালনা করার কাজে ব্যবহৃত সিম, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে।

জানা গেছে, বিভিন্ন সময় ‘মেয়র চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী’, ‘জমিদার চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী’ এবং  ‘ইরাদবেরী ফিন’ নামে ফেসবুক আইডি খুলে বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান সরকারকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ ও অশ্লীল মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ছাড়া তিনি নিজেকে ঢাকার ছায়া মেয়র (Shadow mayor) বলেও প্রচারণা চালাতেন।

এর আগে ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। ওই স্ট্যাটাসে তিনি শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ আছে।

বিডি-প্রতিদিন/এস আহমেদ

আপনার মন্তব্য

up-arrow