Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ২৮ মে, ২০১৮ ১৩:৩৩ অনলাইন ভার্সন
'ভারতের সাথে বাংলাদেশের সুসর্ম্পক হলে বিএনপির বুক কাঁপে কেন'
নিজস্ব প্রতিবেদক
'ভারতের সাথে বাংলাদেশের সুসর্ম্পক হলে বিএনপির বুক কাঁপে কেন'

আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ভারতের সাথে এখন বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগের সর্ম্পক মধুর ও গভীর। বিএনপি নেতাদের চেচামেচি দেখে মনে হয়, ভারতের সাথে বাংলাদেশ সর্ম্পক গভীর হলেই তাদের বুক কাপে। তা না হলে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন তুলবে কেন? আমার জিজ্ঞাসা আপনাদের বুকটা কাঁপে কেন? আপনাদের বুক কাঁপে কারণ এখনো পাকিস্তানি ভাবধারা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি।বাংলাদেশের সাথে ভারতের সর্ম্পক ভালো হলে পাকিস্তানের যেমন বুক কাঁপে, তেমনি বিএনপিরও বুক কাঁপে। 

আজ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। 

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের কবি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ডক্টর অব লিটারেচার (ডিলিট) ডিগ্রি অর্জন করায় তাকে অভিনন্দন জানাতেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 
হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি ভোট থেকে পালানোর জন্যই এখন নানা রকম কথাবার্তা বলছে। পালিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজছে। দয়া করে ভোট থেকে পালাবেন না, এবার সংসদ নির্বাচন থেকে পালিয়ে গেলে আগামীতে দেশ থেকেও পালিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে এক নেতা বললেন- দীর্ঘমেয়াদী ক্ষমতায় থাকতে নাকি প্রধানমন্ত্রী ঘন ঘন ভারত সফর করছেন। ভারত এসে আমাদের ভোট দেয় না। আমাদের ভোট জনগণ দেয়। আমরা দেশের জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমাদের ক্ষমতার উৎস দেশের জনগণ। বরং বিএনপিই জনগণের কাছে যায় না, তারা অস্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে। 

বিএনপিকে জনগণের কাছে যাওয়ার পরামার্শ দিয়ে ক্ষমতাসীন দলের মুখপাত্র হাছান বলেন, বিএনপি নেতাদের কাজ সকাল-বিকাল মিথ্যাচার করা। একজন নেতা সকাল ও বিকালে সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যাচার করে। আর কিছু নেতারা বিভিন্ন কূটনৈতিকদের কাছে গিয়ে নালিশ করে। দুষ্টু লোকে বিএনপিকে-বাংলাদেশ নালিশ পার্টি বলে। আমি আপনাদের বলব, কূটনৈতিকদের কাছে নালিশ না করে জনগণের কাছে যান। অতীত কর্মকান্ডের কারণে ক্ষমা চান। জনগণ চাইলে আপনাদের ক্ষমা করে দিতে পারে। 

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা চিত্ত রঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, আবদুল মতিন ভুইয়া, মোবারক সিকদার, চিত্র নায়িকা অরুনা বিশ্বাস, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম রনি, জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, শাহ জামাল তোতা, রোকনউদ্দিন পাঠান প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow