Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ২৩ জুলাই, ২০১৮ ১৪:৪৮ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ২৩ জুলাই, ২০১৮ ১৭:৫১
২১ জনকে অভিযুক্ত করে হলি আর্টিজান মামলার চার্জশিট
অনলাইন ডেস্ক
২১ জনকে অভিযুক্ত করে হলি আর্টিজান মামলার চার্জশিট

গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার মামলায় ২১ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এদের মধ্যে পাঁচজন ওইদিনই ঘটনাস্থলে নিহত হন। আটজন পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন অভিযানে নিহত হন। জীবিত আটজনের মধ্যে ছয়জন কারাগারে এবং দুইজন পলাতক রয়েছেন।

সোমবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

তবে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিমের সম্পৃক্ততা পায়নি পুলিশ। ফলে তাকে মামলার অভিযোগপত্র থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

হামলার সেনাবাহিনীর অভিযানে নিহত পাঁচজন হলেন রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল। 

বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নিহতরা হলেন তামীম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।

জীবিত আটজনের মধ্যে রাজীব গান্ধী, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাতকাটা সোহেল মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, রাশেদ ইসলাম ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ আটকের পর কারাগারে। এছাড়াশরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ও মামুনুর রশীদ ওরফে রিপন নামের দুইজন চার্জশিটে পলাতক দেখানো হয়েছে।

মনিরুল ইসলাম বলেন, চার্জশিটে ২১১ জনের স্বাক্ষ্য রয়েছে। এর মধ্যে অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৪৯ জন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পাওয়া ১৭ জন রয়েছেন।

সোমবার চার্জশিটের একটি খসড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে চার্জশিট পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয়া হামলা চালিয়ে ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা। এর আগে জঙ্গি হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে জঙ্গিদের ছোঁড়া গ্রেনেডে ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন আহমেদ নিহত হন। পরে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। অভিযানে অংশ নেওয়া পাঁচ জঙ্গির সবাই নিহত হন।


বিডি-প্রতিদিন/২৩ জুলাই, ২০১৮/মাহবুব

আপনার মন্তব্য

up-arrow