Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : সোমবার, ৬ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৬ জুন, ২০১৬ ০৩:৪৬
ই-কমার্সে ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের সুযোগ আছে : ডিসিসিআই
নিজস্ব প্রতিবেদক

অনলাইনভিত্তিক ব্যবসার প্রসার বা ই-কমার্সে আগামী ২০২১ সাল নাগাদ ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় অর্জনের সুযোগ আছে বলে জানিয়েছে দেশের প্রাচীন বাণিজ্য সংগঠন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-ডিসিসিআই। সংগঠনটি বলেছে, বাংলাদেশে ২০১০ সালে ই-কমার্স চালু হলেও ২০১৬ সালে এ খাতে ব্যাপক প্রবৃদ্ধি অর্জন হয়েছে।

এ বছর প্রায় ২০০ কোটি টাকার বাজার ও ৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল মতিঝিলের চেম্বার ভবনে ডিসিসিআই আয়োজিত ‘পাইকারি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ই-কমার্স ব্যবসায় সম্ভাবনা ও সচেতনতা তৈরি, শীর্ষক সেমিনারে স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি হোসেন খালেদ এসব কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিসিসিআইর টেলিকম ও আইসিটি স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ আলমাস কবির।

আরও বক্তব্য দেন ডিসিসিআই সাবেক সভাপতি এম এ মোমেন, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মো. শিরিন, ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি হুমায়ুন রশিদ, সহসভাপতি খ. আতিক-ই-রাব্বানী, ই-ক্যাব সভাপতি রাজিব আহমেদ, ডিসিসিআই পরিচালক রিয়াদ হোসেন।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, গত সাত বছরে তথ্য-প্রযুক্তি খাতে রপ্তানির পরিমাণ ২৬ মিলিয়ন ডলার থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। এ খাতের সুষ্ঠু বিকাশে শিগগিরই একটি নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, পুরান ঢাকায় শত বছর ধরে পরিচালিত ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডকে যদি ই-কমার্সের আওতায় নিয়ে আসা যায়, তাহলে কর্মঘণ্টা বাঁচানোর পাশাপাশি ব্যবসায় খরচ কমবে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য পণ্যসামগ্রীর সব তথ্য-সংবলিত একটি ই-কমার্স পোর্টাল তৈরির জন্য ব্যবসায়ী নেতাদের কাছে অনুরোধ রাখেন এই প্রতিমন্ত্রী।

ডিসিসিআই সভাপতি হোসেন খালেদ বলেন, তথ্য-প্রযুক্তি খাতকে অগ্রাধিকার প্রদান করার ফলে এ খাতভিত্তিক বিভিন্ন সেবা মোবাইল মানি ট্রান্সফার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, বাণিজ্য ইত্যাদি কার্যকারিতা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তিনি ব্যবসায়ীদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ, প্রণোদনা প্রদান, সহজ শর্তে আর্থিক সুবিধা প্রদান, পাইকারি ও খুচরা মার্কেটে দ্রুত ও ফ্রি ওয়াইফাই চালু করার প্রস্তাব করেন।

আবুল কাশেম মো. শিরিন বলেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা ই-কমার্স ব্যবসায় লেনদেন হয়ে থাকে। তবে এর বেশির ভাগই অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় না, তাই এক্ষেত্রে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের আরও সহজতর করতে পারলে সরকার আরও বেশি হারে রাজস্ব আহরণ করতে পারবে।

সৈয়দ আলমাস কবির বলেন, ই-কমার্স মাত্র একটি পোর্টালের মাধ্যমে হাজার হাজার এমনকি কয়েক লাখ পণ্য ক্রেতার পছন্দ অনুযায়ী প্রদর্শনের সুযোগ করে দেয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow