Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বুধবার, ৮ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ৮ জুন, ২০১৬ ০২:১৫
ছয় দফা দিবসের আলোচনা সভা
সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের অবসান ঘটিয়ে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবসের আলোচনা সভায় সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের অবসান ঘটিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় ঘোষণা করা হয়েছে। মহানগর নাট্যমঞ্চে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এ কে এম রহমত উল্লাহ। প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বক্তৃতা করেন সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা : যথাযথ মর্যাদায় বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফা দিবস গতকাল পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল সকালে ধানমন্ডি-৩২ নং বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।  

আওয়ামী লীগের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, আবদুর রাজ্জাক, কর্নেল (অব.) মুহম্মদ ফারুক খান, মুকুল বোস, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, আফজাল হোসেন, আবদুস সাত্তার, অসীম উকিল, মৃনাল কান্তি দাস, একেএম এনামুল হক শামীম  প্রমুখ। এ ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগসহ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিকালে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তোফায়েল আহমেদ তার বক্তব্যে ৭ জুনের ঘটনাবলি বর্ণনা করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর ছয় ফার মধ্যেই স্বাধীনতার বীজ বপিত হয়েছিল। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারেনি। কিন্তু করেছে বেইমান মোশতাকের নেতৃত্বে খুনিদের একটি চক্র। তিনি বলেন, ‘আমরা সেদিন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলি। স্বৈরাচারী আইয়ুব খান অস্ত্রের জোরে আমাদের আন্দোলন থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এ আন্দোলন কঠিন জেনেও বঙ্গবন্ধু ক্ষান্ত হননি। তিনি আমাদের বলেছিলেন ত্যাগের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।’ তোফায়েল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে বিশ্বে উজ্জল নক্ষত্রের মতো দেদীপ্যমান। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের অবসান ঘটিয়ে আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলব।’

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই পাকিস্তান বিলোপ করা প্রয়োজন ছিল। স্বাধীনতা অর্জন করতে না পারলে বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠা হতো না। ছয় দফা বাস্তবায়নের জন্য বঙ্গবন্ধু দেশের প্রতিটি জেলায় জনসভা করেছেন। এ আন্দোলন করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বহুবার গ্রেফতার হয়েছেন। কারা নির্যাতন ভোগ করেছেন।’

বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘জঙ্গিবাদ দমনের যুদ্ধে আমরা জয়ী হব, ওরা পরাজিত হবে।’

মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা আর বাংলাদেশ একে অন্যের পরিপূরক। তিনি বলেন, যুদ্ধ এখনো থামেনি। স্বাধীনতাবিরোধীরা এখনো দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।




up-arrow