Bangladesh Pratidin

ফোকাস

  • ২ জুন থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু
  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বন্য হাতির আক্রমণে ১০ মাসে নিহত ১৩
  • সাতক্ষীরায় যুবলীগ-শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ২
  • তাসফিয়া হত্যায় 'তৃতীয় পক্ষের' ইন্ধন নিয়ে সন্দেহ পরিবারের
  • বান্দরবানে পাহাড় ধসে নারীসহ ৫ শ্রমিক নিহত
  • সাভারে কাউন্সিলরের লোকজনের সাথে ছাত্রলীগের সংর্ঘষ-গুলি, আহত ২০
  • কেরালায় নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু
  • নাজিব পরাজয় মেনে নিতে চাননি: আনোয়ার ইব্রাহিম
  • রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
  • মাদকবিরোধী অভিযান; রাতে ৭ জেলায় 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ৯
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১২ জুন, ২০১৬ ২৩:২২
স্বপ্নের আইকনিক টাওয়ার নির্মাণে চুক্তিটি হয়নি
নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪২ তলাবিশিষ্ট স্বপ্নের আইকনিক টাওয়ার নির্মাণের চুক্তিটি হয়নি। এটি ‘অনিবার্য কারণে’ অনির্ধারিত সময়ের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান কেপিসি গ্রুপের সঙ্গে গতকাল এ চুক্তিটি হওয়ার কথা ছিল।

জানা গেছে, চুক্তির লক্ষ্যে নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী ড. কালী প্রসাদ চৌধুরী প্রতিনিধি দল নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। সে লক্ষ্যে গতকাল বিকাল ৪টায় চুক্তি স্বাক্ষরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়। পরে অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা সম্ভব না হওয়ায় চুক্তিটি পিছিয়ে গেছে। তবে শিগগিরই চুক্তিটি হবে।

নির্ভরযোগ সূত্রে জানা গেছে, আইন মন্ত্রণালয় থেকে ভেটিং না পাওয়ায় শেষ মুহূর্তে চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা থেকে পিছিয়ে আসে অর্থ বিভাগ। প্রসঙ্গত, ঢাকার পূর্বাচলে প্রায় ৭০ একর জমির উপর ১৪২ তলা বিশিষ্ট স্বপ্নের এই আইকন টাওয়ার নির্মাণের কথা বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করেছিলেন অর্থমন্ত্রী। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) এ টাওয়ার নির্মাণে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয় প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা (১.২ বিলিয়ন ডলার)। প্রকল্প সম্পর্কে বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ হয়, কনভেনশন সেন্টারের মূল মিলনায়তন ৫ হাজার লোক বসার ব্যবস্থা থাকবে। স্পোর্টর্স কমপ্লেক্সের মূল স্টেডিয়ামের ধারণ ক্ষমতা হবে ৫০ হাজার। এছাড়া একটি আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালও থাকতে পারে প্রকল্প এলাকায়। ২০১৮ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়ার কথাও বলা হয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow