Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ১৩ জুন, ২০১৬ ২৩:৪০
বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণেই ইউপি ভোটে সহিংসতা ঘটেছে : আইনমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে অসহিষ্ণুতা ও একই দলে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার কারণে কোথাও কোথাও ‘বিচ্ছিন্ন’ কিছু সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন সংসদ কার্যে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। স্বতন্ত্র সদস্য মো. রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে তিনি সংসদকে এ তথ্য জানান। আইনমন্ত্রী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনারগণ ও কমিশন সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছেন এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত সংবাদের ভিত্তিতে তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা নেন। নির্বাচনে যাতে মহিলা ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এবং নির্বাচন-পরবর্তী তাদের নিরাপত্তার বিষয়েও বিশেষ নজর রাখা হয়েছে। আইনমন্ত্রী জানান, এবারের নির্বাচনে প্রতিটি উপজেলায় নির্বাচনী শিডিউল ঘোষণার পর থেকেই অতিরিক্ত তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও আচরণবিধি প্রতিপালনের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

অসৎ ব্যক্তিরাই এনআইডি নিয়ে অভিযোগ করে : জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) বিভিন্ন ভুল সংশোধন করতে জনদুর্ভোগের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সংসদ কার্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী বলেন, অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলকারী ব্যক্তিরাই এ ধরনের অভিযোগ করে থাকেন। সংসদ সদস্য মো. আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, অনেককে অন্যের জমি ক্রয়-বিক্রয়, ভুয়া নামে ব্যাংক হিসাব খোলা, ভুয়া পাসপোর্ট করা, মোবাইল সিম ক্রয়, ফৌজদারি মামলা থেকে রেহাই পাওয়া ইত্যাদি কারণে এনআইডি সংশোধন করতে চান।

তার আইডি কার্ডের সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। এতে কিছুটা বিলম্ব ঘটতে পারে। তিনি বলেন, আগে শুধু ঢাকায় জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগে সংশোধনের আবেদন গ্রহণ করে তা নিষ্পত্তি করা হতো। ইতিমধ্যে এই সেবা বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। আবেদনকারীরা এখন ৫১৫টি উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে থেকে সেবা গ্রহণ করতে পারছেন। মন্ত্রী বলেন, অনেকে নিজ নাম, পিতা ও মাতার নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তন, বয়স ১০-৩০ বছর পরিবর্তন করার আবেদন করেন। এ জন্য প্রয়োজনীয় দলিলপত্র প্রয়োজন হয়। অনেক ক্ষেত্রে সরেজমিন তদন্ত দরকার হয়। এতে স্বাভাবিকভাবে একটু বেশি সময় প্রয়োজন।




এই পাতার আরো খবর
up-arrow