Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৭ জুন, ২০১৬ ২৩:৫২
আটকের পর আনসারুল্লাহ বাংলার দুই জঙ্গি রিমান্ডে
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকায় আটক আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই জঙ্গিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ড পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল ভোররাতে ফরিদাবাদ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে আটক নাইম ওরফে সাইফুল ইসলাম ওরফে সাদ এবং  সোহেল আহম্মেদ ওরফে সোহেল নামের দুই জঙ্গিকে দুপুরে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করেন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক শফিকুল ইসলাম। তাদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ১০ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন তিনি। এ সময় সাদের পক্ষে রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিনের আবেদন করা হয় বলে আদালত পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার মিরাশ উদ্দিন জানান। শুনানি শেষে মহানগর হাকিম সারাফুজ্জামান আনসারী জামিন নাকচ করে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ১৩ জুন রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য আরিফুল ইসলাস সোলাইমানী ওরফে আরাফাত এবং সৈয়দ মোহাম্মদ মোজাহিদুল ইসলাম সাফিরাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ওই এলাকার ব্যাটারিঘাট আল-মক্কা জামে মসজিদের গলিতে বসে ‘রাজনীতিবিদ, ব্লগার, লেখক ও প্রকাশকদের হত্যার ষড়যন্ত্র’ করার কথা ‘স্বীকার’ করলে এই মামলা দায়ের করে।

মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফিং : গতকাল মিন্টো রোডের ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন বলেন, আগের গ্রেফতার হওয়া এবিটির দুই সদস্য মোজাহিদুল ইসলাম ও আরিফুল ইসলাম সোলাইমানের দেওয়া তথ্যানুযায়ী রাতে গেন্ডারিয়ার ফরিদাবাদ মাদ্রাসা এবং কামরাঙ্গীচরের আল আরাফা ইসলামিয়া মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) এই দুই জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা মূলত এবিটির পক্ষে দাওয়াতি কাজকর্ম চালাতো, সাধারণ মানুষকে জঙ্গি তত্পরতায় উদ্বুদ্ধ করত। রিমান্ডে নিয়ে তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।  

ডিবির যুগ্ম কমিশনার উল্লেখ করেন, জঙ্গি মামলার অনেক আসামি আছে যাদের আমরা এখনো গ্রেফতার করতে পারিনি। তবে তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য খোঁজা হচ্ছে। প্রায় ৪২-৪৬টি জঙ্গি মামলা আছে। প্রতিটি মামলায় কিছু না কিছু গ্রেফতার আছে। কিন্তু সবাই গ্রেফতার হয়নি।   তিনি জানান, তদন্তের স্বার্থে শীর্ষ জঙ্গি নেতাদের নাম বলা যাবে না।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান ও গোয়েন্দা পুলিশের (দক্ষিণ) উপ-কমিশনার মাশরুকুর রহমান খালেদ।  

এই পাতার আরো খবর
up-arrow