Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৭

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৬ জুলাই, ২০১৬ ০২:৩৮
এলপিজিতে ৩ বছর মেয়াদি কর অবকাশ সুবিধা চান ব্যবসায়ীরা
জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে এলো ইরানের সারভি গ্যাস
নিজস্ব প্রতিবেদক

তরল বা লিকুইফায়েড পেট্রোলিয়াম গ্যাস— এলপিজিতে আগামী তিন বছর মেয়াদি সব ধরনের কর অবকাশ সুবিধা দাবি করেছেন ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ। তিনি বলেছেন, এলপিজি সিলিন্ডার উৎপাদনের প্রধান উপকরণ— স্পেশাল স্টিল, রেগুলেটর ও ভাল্ব আমদানিতে শুল্ক এবং ভ্যাটমুক্ত সুবিধা পাওয়া গেলে, দেশে জ্বালানি সংকট দূর হবে। এতে দেশের মানুষকে আরও কম খরচে গ্যাস সরবরাহ করতে পারবেন জ্বালানি খাতের নতুন-পুরাতন উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীরা। গতকাল রাজধানীর গুলশানের হোটেল ওয়েস্টিনে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন—এফবিসিসিআই আয়োজিত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করে এই দাবি করেন সংগঠনটির সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর উপস্থিতিতে দেশের ১৫টি ব্যবসায়িক গ্রুপের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা জ্বালানি খাতের নতুন উদ্যোক্তা-প্রতিষ্ঠান স্টার ইনফাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কনসোর্টিয়াম লিমিটেডের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে ইরানের সারভি গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন— বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান এ আর খান ও ঢাকায় নিয়োজিত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. আব্বাস ভাইজি। আরও বক্তব্য দেন— এফবিসিসিআইর প্রথম সহসভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, স্টার ইনফাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কনসোর্টিয়াম লিমিটেডের ভাইস-চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুর আলী ও ইরানের সারভি গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ. রাবি। ওই অনুষ্ঠানে জ্বালানি খাতে ৩ বছর মেয়াদি কর অবকাশ সুবিধা নিয়ে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন দাবির জবাবে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, এটা দেশের জ্বালানি খাতে প্রথমবারের মতো একটি বড় উদ্যোগ। তাই এ বিষয়ে সরকার যথেষ্ট আন্তরিক। ব্যবসায়ীদের শুল্কমুক্ত দাবির আলোকে এলপিজি পণ্যগুলোর এইচএস কোডসহ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড—এনবিআরে চিঠি প্রেরণ করে সুপারিশ করা হবে। তিনি ইরানের বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, জঙ্গিবাদের নামে দেশকে যখন অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, ঠিক তখনই ইরানের এত বড় অঙ্কের বিনিয়োগ প্রমাণ করছে, কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow