Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ২৬ জুলাই, ২০১৬ ০২:৩৯
হত্যা মামলার বিচারে বিলম্ব
বিচারকের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে হাইকোর্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক

ময়মনসিংহের একটি হত্যা মামলার বিচার কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন না করায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মমতাজ বেগমের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছে হাইকোর্ট। দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টে এ ব্যাখ্যা দাখিল করতে বলা হয়েছে। এ মামলায় এক আসামির জামিন আবেদনের শুনানিতে গতকাল বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন  ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবির। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার আহসান হাবিব।

এ বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবির সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৯০ সালে ময়মনসিংহে সংঘটিত একটি হত্যা মামলা ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এ বিচারাধীন। আইন অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলা ১৩৫ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হয়। কিন্তু এই সময়ের পরও মামলাটি কেন ওই আদালতে পড়ে রয়েছে, তার ব্যাখ্যা চেয়েছে হাইকোর্ট।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূবালী সিনেমা হল ও ফ্রিডম পার্টির অফিসের পাশে কাঁচামালের আড়তদার হারুনুর রশিদ নামের এক ব্যক্তি গুলিতে নিহত হন। ঘটনার পরের দিন নিহতের ভগ্নিপতি মোশারফ হোসেন বাবুল ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এ স্থানান্তর করা হয় এবং ২০১০ সালের ১০ জুলাই এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ৭৮ জন সাক্ষীর মধ্যে গত ছয় বছরে ২৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত। এর মধ্যে ২০১২ সালের ২৫ ডিসেম্বর থেকে কারাগারে থাকা ওই মামলার আসামি মো. আবদুর রশিদ ট্রাইব্যুনালে জামিনের আবেদন করেন। আবেদন খারিজ হলে তিনি হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow