Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০২:৫৪
ব্যবসায়ী হত্যায় কাউন্সিলরসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী মোখলেছুর রহমান খুনের ঘটনায় ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল আউয়ালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে নিহতের পরিবার। পুলিশ লাবলু নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, প্রভাব খাটিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল আউয়াল তার লোকজন পাঠিয়ে ব্যবসায়ী মোখলেছসহ কয়েকজনকে মারধর করে। যাতে মোখলেছ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ঘটনাস্থলে স্ট্রোক করে মারা গেছেন। সোমবার বিকালে বংশালের সাত রওজা মোড়ের ৭১ নম্বর আবুল হাসনাত রোডে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে নিহতের বড় ছেলে তারেকুর রহমান মিশু বংশাল থানায় মামলা করেন।

স্থানীয়রা জানান, মোখলেছসহ তার পরিবারের সবাই অত্যন্ত নম্র ও ভদ্র । কারও সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব ছিল না। স্ত্রী আর দুই ছেলেকে নিয়েই তার সংসার। এক ছেলে তারেকুর রহমান মিশু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করেছেন। আরেক ছেলে মুনিম শেখ বোরহান উদ্দিন কলেজে পড়ছে। গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোখলেছের ছোট ভাই মোস্তাকুর রহমান ফারুক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আবদুল আউয়ালের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে নির্বাচিত হন আবদুল আউয়াল। সেই থেকে মনের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ পুষে রাখেন তিনি।

মৃতের ছেলে তারিকুর রহমান মিশু জানান, বাসার সামনে সুয়ারেজ লাইনের সংস্কার কাজকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলরের অনুসারী জাহাঙ্গীরের সঙ্গে তার বাবার কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি জাহাঙ্গীর কাউন্সিলর আউয়াল হোসেনকে জানান। পরে কাউন্সিলর তার আরও কিছু লোকজন পাঠায়। তাদের সঙ্গেও তার বাবার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা আমাদের সবাইকে মারধর করেন। এ সময় বাবাকে ধাক্কা দিলে তিনি সুয়ারেজ লাইনের পাশে রাস্তায় পড়ে যান। তাকে গুরুতর অবস্থায় দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ছোট ভাই আরিফুর রহমান বলেন, কাউন্সিলর আবদুল আউয়াল এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। এলাকার যে কোনো সমস্যা সমাধানের কাজ কাউন্সিলরের। অথচ কাউন্সিলর সমস্যা তৈরি করে রাখেন এবং তাতে বাধা দিলে লোকজনের ওপর হামলা চালান।

জানতে চাইলে লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইব্রাহিম খান বলেন, মামলার আসামি গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে। তবে লাবলু নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow