Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০২:২৬
দক্ষিণখানে দুই নারীকে হত্যা
ঘাতকদের শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর দক্ষিণখানে গলাকেটে ও কুপিয়ে দুই নারী হত্যার ঘটনায় জড়িত কাউকেই শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। গত ২১ আগস্ট ও গত বুধবার বাসা ভাড়া নেওয়ার কথা বলে দুই গৃহবধূকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পুলিশের ভাষ্য, খুনিরা একই গ্রুপের লোক। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের কাউকেই শনাক্ত করা যায়নি। নিহতদের পরিবারের দাবি, পুলিশের উদাসীনতার কারণেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং ঘাতকরা শনাক্ত হচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত বুধবার রাতে দক্ষিণখান গাঁওয়াইর ৭১৫/২ নম্বর বাড়ির ছয়তলা ভবনের ছয়তলায় দুর্বৃত্তরা বাসা ভাড়া নেওয়ার কথা বলে গৃহবধূ ওয়াহিদা আক্তারকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। নিহত ওয়াহিদার স্বামী কাতার প্রবাসী। নিহতের দেবর ইলিয়াস হোসেন জানান, গতকাল ময়নাতদন্ত শেষে ভাবীর লাশ বাবার বাড়ি বাইনিয়া এলাকায় দাফন করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তারা একই কায়দায় আরও কয়েকটি ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ আগের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায়ও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। ইলিয়াস আরও বলেন, সন্ধ্যায় দুই ব্যক্তি ওই রুম ভাড়া নিতে আসেন। ভাবী তাদের ছয়তলায় ওই রুমটি দেখানোর জন্য নিয়ে যান। পরে সেখানে রুমে ঢুকলে ওই দুই ব্যক্তি দরজা বন্ধ করে ভাবীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে চলে যায়। যাওয়ার সময় চিৎকার শুনে ভাগ্নি শোভা আক্তার উপরে গিয়ে তার মাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে দক্ষিণখান তেঁতুলতলা এলাকায় সুরাইয়া বেগম নামে আরেক নারীকে নৃশংসভাবে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ১৮ দিনেও কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। গত ২১ জুলাই তেঁতুলতলা এলাকার ১১৪ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেওয়ার কথা বলে দিনে-দুপুরে ঘরে ঢুকে সুরাইয়া বেগমকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহতের স্বামী ইউনূস আলী সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সুবেদার। ওই বাড়ির মালিক তিনি নিজেই। পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের উদাসীনতার কারণেই দুর্বৃত্তরা গ্রেফতার হচ্ছে না।

এ বিষয়ে দক্ষিণখান থানার ওসি সৈয়দ লুত্ফর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুটি হত্যাকাণ্ড একই গ্রুপ ঘটিয়েছে। তবে তাদের কাউকেই শনাক্ত করা যায়নি। একটি হত্যা মামলার তদন্ত কাজ এগিয়ে চলেছে। অপরটির এখনো মামলা হয়নি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow