Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১০ অক্টোবর, ২০১৬ ০২:২৯
সামাজিক ব্যবসায় এগিয়ে নারীরা
গবেষণা প্রতিবেদন
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

অন্যান্য ব্যবসার চেয়ে সামাজিক ব্যবসায় এগিয়ে যাচ্ছেন নারীরা। দেশের ৪১ শতাংশ নারী সামাজিক ব্যবসায় ফুলটাইম কাজ করতে সক্ষম।

যা অন্যান্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রায় দ্বিগুণ। অন্যদিকে এ খাতে নারী নেতৃত্ব মাত্র ৬ শতাংশ, যা অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে ১ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশে সামাজিক ব্যবসার প্রভাব নিয়ে পরিচালিত এক গবেষণায় এ চিত্র পাওয়া গেছে। ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের নেতৃত্বে এবং বেটার স্টোরিজ, ইউএন লিমিটেড ও সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ ইউকে-এর সহায়তায় ব্রিটিশ কাউন্সিল ‘দ্য স্টেট অব সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ ইন বাংলাদেশ’ এবং ‘সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ পলিসি ল্যান্ডস্ক্যাপ ইন বাংলাদেশ’ এ গবেষণা পরিচালনা করেছে। গতকাল দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ১৪৯টি প্রতিষ্ঠান এ জরিপে অংশ নেয়। গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডেপুটি ডিরেক্টর জিম কার্থ, ব্রিটিশ কাউন্সিলের গ্লোবাল সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ পার্টনারশিপ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার ট্রিস্টান এইক,  বেটার স্টোরিজ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিনহাজ আনোয়ার, ব্যারিস্টার আনিতা গাজী রহমান, ডিনেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. অনন্যা রায়হান প্রমুখ।

গবেষণায় বলা হয়েছে, শিক্ষা খাতে সামাজিক ব্যবসায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার ঘটেছে। তবে এ খাতে লিঙ্গ বৈষম্য রয়েছে। এ খাতে মাত্র ৬ শতাংশ নারী নেতৃত্বের বিপরীতে পুরুষ নেতৃত্ব ৩৯ শতাংশ। গবেষণায় আরও দেখা যায়, দুই-তৃতীয়াংশ বাংলাদেশি সামাজিক ব্যবসায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে। খুব কম সময়ে প্রতিষ্ঠিত সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতৃত্বে তরুণরাই বেশি। বর্তমানে এ খাত  থেকে বার্ষিক গড় আয় ২ দশমিক ১০ মিলিয়ন টাকা। আগামী অর্থবছরে এর পরিমাণ এক-তৃতীয়াংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ছাড়াও বর্তমানে দেশে ১ লাখ ৫০ হাজার সামাজিক প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে। যার থেকে সুবিধা গ্রহণ করছেন ২ লাখ ৭ হাজার মানুষ।

গবেষণায় উঠে এসেছে, প্রযুক্তিগত দক্ষতার অভাব এ খাতের বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে। এ ছাড়াও অর্থনৈতিক সংকট, সচেতনতা এবং অর্থের নগদ প্রবাহের স্বল্পতা বড় ধরনের বাধা হিসেবে কাজ করছে। তাই গবেষকরা এর সমাধান হিসেবে অর্থ সাহায্য ও অনুদান এক্ষেত্রে অর্থের জোগান হতে পারে বলে মনে করছেন। এ ছাড়া স্বল্পমাত্রার ঋণও কিছু সমস্যা দূর করতে পারে বলে তারা মনে করেন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow