Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৪০
গুদামে পড়ে আছে ১০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া
নিম্নমানের সার আমদানি
লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাট বাফার গুদামে ১০ হাজার মেট্রিক টন নিম্নমানের চায়না ইউরিয়া সার ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে আছে। এ সার বিসিআইসির ডিলাররা নিচ্ছেন না, কৃষকও নিচ্ছে না।

ফলে প্রায় ১৪ কোটি টাকার লোকসানের মুখে পড়েছে সরকার।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, বাফার গোডাউন ইনচার্জ হানিফ মিয়ার সঙ্গে যুক্ত কিছু ডিলার সিন্ডিকেটের কারণে সরকারকে এমন ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। আমদানিকারকরা গোডাউন ইনচার্জের যোগসাজশে রাতের আঁধারে নিম্নমানের ইউরিয়া সার গোডাউনে ঢুকিয়েছেন। সরেজমিন গতকাল বিসিআইসি সরকারি সার গোডাউনে গিয়ে দেখা গেছে, চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে সরকারের ভর্তুকি দিয়ে আমদানি করা সারের বস্তা। জানা গেছে, বোরো মৌসুমে কৃষকের বাম্পার ফলনে সরকার প্রতি বছর ভর্তুকি দিয়ে চায়না ও মিসর থেকে ইউরিয়া সার আমদানি করে। তবে সেই সারের জায়গায় কারসাজি করে আমদানি করা হয়েছে নিম্নমানের ইউরিয়া। এখন এ সার কেউ না নেওয়ায় তা ব্যবহারের অযোগ্য বিবেচিত অবস্থায় গুদামে পড়ে আছে। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, নতুন করে সার আমদানি হলেই তা পড়ে সিন্ডিকেটের হাতে। কিছু কিছু বিসিআইসির ডিলার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গোডাউন ইনচার্জের সঙ্গে ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে আসল সার ভাগবাটোয়ারা করে নেয়। ফলে পুরনো সারগুলো পড়ে থাকে। এবারও সে ঘটনাই ঘটেছে।   লালমনিরহাট মহেন্দ্রনগর বাফার গোডাউন ইনচার্জ হানিফ মিয়া জানান, সার নষ্টের বিষয়ে বাফার ঊর্ধ্বতন মহলে জানানো হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক বিধু ভূষণ রায় জানান, কারসাজির ঘটনা ঘটলে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

up-arrow