Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০২:১০
আরও একটি গাড়ি জমা দিল বিশ্বব্যাংক
নিজস্ব প্রতিবেদক

শুল্কমুক্ত সুবিধার অপব্যবহার ও অনিয়ম নিয়ে শুল্ক গোয়েন্দার অভিযোগের পর এবার আরও একটি গাড়ি জমা দিয়েছে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়। সংস্থাটির কর্মকর্তা নিহাল ফার্নান্দো গাড়িটি ব্যবহার করতেন।

এ নিয়ে মোট তিনটি গাড়ি জমা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির বিরুদ্ধে মোট ১৬টি শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা গাড়ির অপব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। গতকাল সকালে একটি গাড়ি শুল্ক গোয়েন্দার সদর দফতরে এনে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করে বিশ্বব্যাংক। শুল্ক গোয়েন্দা গতকাল জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী বিশ্বব্যাংকের ওই কর্মকর্তা বাংলাদেশ ত্যাগের আগে তাদের ব্যবহৃত কাস্টমস পাসবুক ও গাড়িটি কাস্টমস কর্তৃপক্ষে হস্তান্তর করেননি। নিহাল ফার্নান্দো বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ে সিনিয়র রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। তিনি ব্যক্তিগত ব্যবহারের উদ্দেশ্যে গাড়িটি শুল্কমুক্ত সুবিধায় কেনেন। পরে ২০১০ সালের ডিসেম্বরেই স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন নিহাল। তার (কাস্টমস পাসবুক নম্বর ৫০/০৮) ব্যবহৃত ওই গাড়ি ২০০৬ সালের টয়োটা এলিয়ন মডেলের। বাংলাদেশ ত্যাগের আগে আইন অনুযায়ী কাস্টমস পাসবুক ও গাড়িটি কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে যাননি নিহাল। এতে শুল্ক আইন ভঙ্গ হয়, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি জমা দেওয়া গাড়ি দুটির ব্যবহারকারী ছিলেন ফিনল্যান্ডের নাগরিক মিরভা তুলিয়া ও ভারতীয় মৃদুলা সিং। তারা গাড়ি দুটি শুল্কমুক্ত সুবিধায় কেনেন। তুলিয়া ২০১২ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত কমিউনিকেশন্স স্পেশালিস্ট আর মৃদুলা ২০১৩ সালের মার্চ থেকে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সিনিয়র সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট ছিলেন।

তথ্যমতে, ১৫ ফেব্রুয়ারি শুল্কমুক্ত সুবিধার অপব্যবহারে কূটনীতিকদের পর বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধেও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। সরকারের এ প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের ১৬ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নামে বিভিন্ন সময়ে বরাদ্দ হওয়া ১৬টি গাড়িসহ পাসবুক তলব করে। এ গাড়িগুলো কোথায় আছে, তা বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি বা কান্ট্রি ডিরেক্টরের কাছে জানতে চেয়ে পত্র দিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা।

up-arrow