Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৭ মার্চ, ২০১৭ ০২:৫১
রাজনৈতিক শূন্যতায় জঙ্গিবাদের উত্থান
—মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, রাজনৈতিক শূন্যতা ও রাষ্ট্রের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে উগ্র জঙ্গিবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ভেঙে দিয়ে সরকার ক্ষমতায় টিকে আছে।

গণমানুষের উত্থান ছাড়া এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। গতকাল রাজধানীর পুরানা পল্টনে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সিপিবির ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ সমাবেশ ও লাল পতাকার মিছিল কর্মসূচি পালন করা হয়।

সমাবেশে সেলিম বলেন, বুর্জোয়া দলগুলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারাকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। কিন্তু কমিউনিস্টরা এর অবমাননা মেনে নেবে না। অন্যরা সে ঝাণ্ডা পরিত্যাগ করতে পারে। কিন্তু কমিউনিস্ট পার্টি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারার ঝাণ্ডাকে নিয়ে এগিয়ে যাবে। সে সংগ্রামে নেতৃত্ব দেবে। গণমানুষ ও কমিউনিস্ট পার্টিই এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারার আসল চ্যাম্পিয়ন।

তিনি বলেন, শাসক দল আওয়ামী লীগ জনসমর্থন হারিয়ে একতরফা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে, ছলে বলে কৌশলে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হয়ে আছে। এ অবস্থায় নিজস্ব শক্তি-সামর্থ্য নিয়ে, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক শক্তিকে পাশে নিয়ে সাম্রাজ্যবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ ও গণতন্ত্রহীনতার বিরুদ্ধে জোরদার লড়াই গড়ে তুলতে হবে। সিপিবি সভাপতি বলেন, দেশের মানুষ বুর্জোয়া রাজনীতির প্রতারণা ও অপশাসনে আজ অতিষ্ঠ। তারা এ জাঁতাকল থেকে মুক্ত হতে চায়। অসহনীয় পরিস্থিতিতে পরিবর্তন করার চ্যালেঞ্জ নিতে হবে বামপন্থিদের। কমরেড সেলিম বলেন, ‘বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মেহনতি মানুষের পার্টি, শোষিত-নিপীড়িত মানুষের পার্টি, ইনসাফের পার্টি। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধসহ এ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল আন্দোলন-সংগ্রামে এ পার্টি রেখেছে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। শ্রমিক-কৃষক-ক্ষেতমজুরসহ সমাজের শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলনে আমরা থেকেছি সামনের কাতারে। ’

পার্টির ঢাকা কমিটির সভাপতি কমরেড মোসলেহ উদ্দীনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ডা. সাজেদুল হক রুবেল, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কমরেড জাহিদ হোসেন খান, লুনা নূর প্রমুখ। সমাবেশ শেষে একটি লাল পতাকা মিছিল পল্টন, মতিঝিল ও গুলিস্তানের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow