Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : রবিবার, ১২ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১২ মার্চ, ২০১৭ ০২:১৪
ব্যাংকগুলোতে প্রায় ৪ হাজার কোটি অলস টাকা : অর্থমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে অলস টাকার পরিমাণ ৩ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা। এই স্থিতির ওপর ব্যাংকগুলো কোনো সুদ পায় না বিধায় এ পরিমাণ অর্থকে অলস অর্থ হিসেবে বিবেচনা করা যায়।

৫৭টি ব্যাংকে জমা থাকা মোট আমানত বিবেচনায় এই অর্থ অস্বাভাবিক নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।   জাতীয় সংসদের চতুর্দশ ও শীতকালীন অধিবেশনে গতকাল টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে নুরুন্নবী চৌধুরীর (ভোলা-৩) প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান। এ সময় অর্থমন্ত্রী আরও জানান, অলস টাকা কাজে লাগাতে এবং ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সঞ্চয়পত্রের সুদের হার হ্রাস করা হয়েছে। ঋণের সুদের হার হ্রাসের মাধ্যমে বিনিয়োগ উৎসাহিত করার জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সব টাকা বিনিয়োগ (ঋণ) হিসেবে বিতরণ সম্ভব নয় : সরকারদলীয় সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর (ফেনী-২) অপর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানান, ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ কমে যাওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। ২০০৯ সালের ডিসেম্বর মাসে ব্যাংকিং খাতে মোট বিনিয়োগ বা ঋণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫০৯ কোটি টাকা। ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর সেই বিনিয়োগের পরিমাণ ৬ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ ৭ বছরের ব্যবধানে বিনিয়োগ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৭১ শতাংশ।

তিনি আরও বলেন, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সব টাকা বিনিয়োগ (ঋণ) হিসেবে বিতরণ সম্ভব নয়।

কর দিলে হয়রানি বাড়ে না, ১ জুলাই থেকে নতুন ভ্যাট আইন চালু হচ্ছে : দিদারুল আলমের (চট্টগ্রাম-৪) এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানান, কর দিলেই হয়রানি বাড়ে না, করদাতারা এখন এটি বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন। এতে স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে কর প্রদান রেওয়াজ প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। করদাতার সংখ্যা বেড়েছে। দেশে এখন ‘টিআইএন’ধারীর পরিমাণ ২৭ লাখ। এ সময় তিনি চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে এনবিআরকে আরও গতিশীল করার নানা পদক্ষেপের চিত্র তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন ভ্যাট আইন চালু হচ্ছে। অনলাইনে ই-টিআইএন গ্রহণ, আয়কর ও রিটার্ন দাখিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করে কর ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিকে বিশ্বমানে উন্নীত করা হয়েছে। উেস কর কর্তন মনিটরিং করতে দুটি পৃথক কর অঞ্চল সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আয়কর আহরণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর আইন যুগোপযোগী করা হচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow