Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৩ মার্চ, ২০১৭ ০১:৫৯
মিথ্যা মামলা করায় বাদীর বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা দুদকের
নিজস্ব প্রতিবেদক

মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করার অভিযোগে বাদীর বিরুদ্ধে এবারই প্রথম দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে। গতকাল দুদকের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি জানায়, মো. আহসান হাবিব নামে এক ব্যক্তি ২০০৬ সালের ২২ মার্চ  থেকে ২০১১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ক্রেডিট সুপারভাইজার হিসেবে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়ার আওতাধীন গোটাপাড়া আর্সেনিক ও সিএডি উপ-প্রকল্পে বাগেরহাটে কর্মরত ছিলেন। তিনি প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগী সদস্যদের কাছ থেকে ঋণের কিস্তি ও সঞ্চয় বাবদ ৪ লাখ ১১ হাজার ৬৯৪ টাকা আদায় করে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। পরে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি কর্তৃপক্ষ মো. আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে একটি পিটিশন মামলা করেন। অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মো. আহসান হাবিবকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। অন্যদিকে পিটিশন মামলা দায়ের করায় মামলাটি অনুসন্ধান করে দুদক। অনুসন্ধানে আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে দুদক অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পান। ফলে ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর বাগেরহাট সদর থানায় একটি মামলা করা হয়। আহসান হাবিব অর্থ আত্মসাৎ করেছেন অভিযোগটি দুদকের তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হলে তিনি উল্টো মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়ার  সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের পরিচালক মো. মাহমুদ হোসেন খান, ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক এম এ মতিন ও পরিচালক মো. নজরুল ইসলামের নামে একটি মিথ্যা পিটিশন মামলা করেন।

 তিনি উল্লেখ করেন, পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়া কর্তৃপক্ষকে ‘রিসোর্স ইনভেস্টিগেটর পদে চাকরির জন্য সাড়ে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দেন।

কিন্তু ওই পদে তার চাকরি হয়নি। পিটিশন মামলা হওয়ায় এবারও মামলাটি অনুসন্ধান করে দুদক। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০০৮ সালে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বগুড়া থেকে ‘রিসোর্স ইনভেস্টিগেটর’ পদে নিয়োগের জন্য কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়নি। এমনকি মো. আহসান এরকম কোনো পদের জন্য আবেদনও করেননি। ঘুষও দেননি। দুদক সূত্রে আরও জানা যায়, অভিযোগকারী  মো. আহসান হাবিব মিথ্যা তথ্য দিয়ে কমিশনকে ধোঁকা দিয়েছেন। তাই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪-এর (সংশোধনী-২০১৩) ২৮ (গ) ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর ২৮ (গ) ধারার এটিই প্রথম ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে কমিশন।

up-arrow