Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : সোমবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:১৭
অষ্টম কলাম
লঙ্কান সেনাবাহিনীতে যুক্ত হলো বেজি
প্রতিদিন ডেস্ক

বিস্ফোরক উদ্ধারে এবার কুকুরের বদলে দেশি বেজির সহায়তা নেবে শ্রীলঙ্কান সেনাবাহিনী। এ কারণে এরই মধ্যে দেশটির সেনাবাহিনীতে একদল বেজিকে নিয়োগ করা হয়েছে। শিকারি এই প্রাণীকে মাইন এবং বিস্ফোরক খুঁজতে কাজে লাগানো হবে। সূত্র : ইন্টারনেট। এতদিন পর্যন্ত যে কোনো বিস্ফোরক খুঁজে বের করতে কুকুরের জুড়ি মেলা ভার বলে মনে করা হতো। ফলে পুলিশ থেকে শুরু করে সেনাবাহিনীতে সমান দক্ষতায় কাজ করে চলেছে অসংখ্য স্নিফার ডগ। এই কাজে কুকুর ছাড়া অন্য কোনো প্রাণীকে পারদর্শিতা দেখানোর খবর এর আগে জানা যায়নি। তবে শ্রীলঙ্কান সেনাবাহিনীতে বেজি নিয়োগ দেওয়ায় চমক সৃষ্টি হয়েছে। সেনা সূত্র বলছে, এবার কুকুরের বদলি হিসেবে কাজ করবে বেজি।

 বিশ্বে এই প্রথম কোনো দেশের সেনাবাহিনীতে কুকুরের বদলি হিসেবে বিস্ফোরক উদ্ধার কাজে ব্যবহার করা হবে  বেজিকে।

নিয়োগ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী একদল বেজিকে নিয়োগ করেছে, কারণ শিকারি প্রাণী হিসেবে  বেজি বা নেউলের সুনাম আছে। বিষাক্ত কোনো সাপ মারার জন্যও এই প্রাণীরা সুপরিচিত। শ্রীলঙ্কার সেনা কর্তারা বলছেন, ‘মাইন ও বিস্ফোরক’ খোঁজার কাজে পারদর্শী বেজি। এদের ঘ্রাণশক্তি কুকুরের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেজি কুকুরকেও টেক্কা দিতে পারে। আর এটা প্রমাণিত। শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের একাংশের দাবি, বিদেশ থেকে আনা দামি কুকুরের চেয়ে অনেক ক্ষেত্রে দেশি বেজি বেশি কার্যকর। তবে এক্ষেত্রে সঠিক ট্রেনিং প্রয়োজন। কর্মকর্তাদের দাবি, মাটি থেকে এক মিটার উপরে লুকানো কোনো বিস্ফোরক খুঁজে বের করতে পারে এই প্রাণী।

খবরে বলা হচ্ছে, লঙ্কান সামরিক বাহিনীতে এক দল বেজির মধ্যে আপাতত দুটি বেজিকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ চলছে। বিভিন্ন রকম বিস্ফোরকের গন্ধ শুকিয়ে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বেজিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য তারা বিশেষভাবে কয়েকজনকে দায়িত্বও দিয়েছেন। বেজিকে প্রশিক্ষণ দিতে ৬ মাসের মতো সময় লাগে। প্রশিক্ষণরত বেজিদের সেনা সদস্যদের মতো পরিচিতি নম্বর দেওয়া হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই বেজিদের কাজে লাগানো হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow