Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০১:৫৩
মোহাম্মদপুরের লাইসেন্সবিহীন ১৪ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে লাইসেন্সবিহীন ১৪টি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকের কার্যক্রম  বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানির পর গতকাল বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ এবং বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তিনি সাংবাদিকদের জানান, গত ২০ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিকে মোহাম্মদপুরের লাইসেন্সহীন হাসপাতালের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৯ সেপ্টেম্বর হিউম্যান রাইটস পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে রিট করা হয়। রিটের শুনানি নিয়ে হাই কোর্ট লাইসেন্সবিহীন এ ১৪টি হাসপাতাল অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে এ আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। লাইসেন্স ছাড়া বা অনুমোদনহীনভাবে পরিচালিত এসব হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিচালনা বন্ধে বিবাদীদের ব্যর্থতা বা নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং অবৈধভাবে পরিচালিত এই ১৪টি হাসপাতালের পরিচালকদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— বিডিএম হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক, সেবিকা জেনারেল হাসপাতাল, জনসেবা নার্সিং হোম অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লাইফ কেয়ার নার্সিং হোম, রয়েল মাল্টিস্পেশালিস্ট হসপিটাল, নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা মেন্টাল অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডিকশন হসপিটাল, মনমিতা মেন্টাল হসপিটাল, প্লাজমা মেডিকেল সার্ভিস অ্যান্ড ক্লিনিক, শেফা হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইসলামিয়া মেন্টাল হসপিটাল, ক্রিসেন্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মক্কা মদিনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক, নিউ ওয়েল কেয়ার হসপিটাল এবং বাংলাদেশ ট্রমা স্পেশালাইজড হসপিটাল।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow