Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ৬ জুন, ২০১৬ ১৩:১০
গ্রীষ্মের ছুটিতে বাংলাদেশে আসছেন ২৫ হাজার প্রবাসী
নিউইয়র্ক থেকে এনআরবি নিউজ:
গ্রীষ্মের ছুটিতে বাংলাদেশে আসছেন ২৫ হাজার প্রবাসী

আসন্ন গ্রীষ্মের ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সপরিবারে বাংলাদেশে যাবার সংখ্যা এবার আগের যে কোন সময়ের তুলনায় বেশি। বিভিন্ন এয়ারলাইন্স এবং ট্র্যাভেল এজেন্ট সূত্র জানিয়েছে, জুন মাসের শেষার্ধে  কমপক্ষে ২৫ হাজার প্রবাসী ঢাকায় যাবেন। এর মধ্যে ৮০% যাত্রী টিকিট ক্রয় করেছেন ৪/৫ মাস আগে। যখনই কোন এয়ারলাইন্স টিকিটে ‘মূল্যহ্রাস’ ঘোষণা করেছে তখনই তারা ক্রয় করেন। এর ফলে অনেকেই সাড়ে ৬শ' থেকে ৮শ' ডলারের মধ্যেই রাউন্ড ট্রিপ টিকিট ক্রয়ে সক্ষম হয়েছেন। আর যারা এখন ক্রয় করছেন তাদের লাগছে ১৪শ' ডলারের বেশি। 

উত্তর আমেরিকাস্থ বাংলাদেশি ট্র্যাভেল ব্যবসায়ীগণের সংগঠন ‘নাটাব’র প্রেসিডেন্ট এবং কম্যুনিটির সবচেয়ে পুরনো ও নির্ভরযোগ্য ‘ওয়ার্ল্ডওয়াইড ট্র্যাভলিস’-এর মালিক নাজমুল হুদা বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা নেই বলে সপরিবারে গ্রীষ্মের ছুটি ভোগ করতে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশে যাচ্ছেন। এর ফলে আমরা কতটা লাভবান হচ্ছি সেটি বড় কথা নয়; বাংলাদেশ আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে অনেক বেশি। কারণ অবকাশ যাপনের পুরো সময়ই প্রবাসীরা বিপুল অর্থ ব্যয় করবেন। কেউ কেউ স্থায়ী প্রকল্পেও বিনিয়োগ করবেন। বাজার থেকে দামী একটি মাছ ক্রয় করলেও তার সুফল পাবে বাংলাদেশ।’ 

নাজমুল হুদা আরওবলেন, ‘প্রতি পরিবার গড়ে ১২ হাজার ডলার করে ব্যয় করলে সর্বমোট দেড় হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখবে সেটি বড় কথা। এভাবেই প্রতি বছর প্রবাসীরা প্রিয় মাতৃভূমির জন্যে ভূমিকা রাখছেন। অথচ সেই প্রবাসীদের অনেক অধিকারই কেড়ে নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এটি দুঃখজনক ব্যাপার।’

আমিরাত, ইতিহাদ, কুয়েত, কাতার প্রভৃতি এয়ারলায়েন্সের নিউইয়র্ক থেকে স্ব স্ব দেশ হয়ে ঢাকায় যাতায়াতকারী ফ্লাইটের (জুন-আগস্ট) ৬৫% টিকিট ক্রয় করেছেন বাংলাদেশি-আমেরিকানরা। অর্থাৎ জুন মাস এবং আগস্টের শেষার্ধে এয়ারলায়েন্সগুলো বাঙালিদের দখলে থাকবে। যদিও কোন এয়ারলায়েন্সই এখন পর্যন্ত বাংলায় কোন ঘোষণা প্রচারের প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়নি। 
বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়ার আগে সন্তানের চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। বাংলাদেশের আবহাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে শিশু-কিশোরদের জন্যে ওষুধের পরামর্শপত্রও সাথে রাখা দরকার। মশা-মাছির উপদ্রব ঠেকানোর প্রস্তুতিও থাকতে হবে প্রতিটি পরিবারের। এছাড়া যারা প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবকাশ যাপনে আগ্রহী, তারা যেন ঢাকায় অবতরণের পরই মার্কিন দূতাবাসে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে রাখেন। 

 

বিডি-প্রতিদিন/ ০৬ জুন, ২০১৬/ আফরোজ




আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow