Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৯:৫২ অনলাইন ভার্সন
তুরস্কে বহুমাত্রিক আবহে একুশে পালন
কূটনৈতিক প্রতিবেদক
তুরস্কে বহুমাত্রিক আবহে একুশে পালন
প্রতীকী ছবি

বর্ণিল ও বহুমাত্রিক আবহের মধ্য দিয়ে তুরস্কের আংকারায় শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০১৭ উদযাপন করা হলো। এ উপলক্ষে আংকারস্থ বিভিন্ন দূতাবাস যেমন- বাংলাদেশ, ব্রাজিল, কঙ্গো, ডেনমার্ক, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, কিরগিজস্তান এবং তুরস্কের ক্ল্যাসিকাল মিউজিকের জাতীয় সংস্থার সদস্যরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় বিভিন্ন পরিবেশনা করে।


 
দূতাবাস থেকে ঢাকায় প্রাপ্ত বার্তায় বলা হয়েছে, আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজ এ তিনভাগে বিভক্ত অনুষ্ঠানে আংকারাস্থ বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত, চার্জ ডি এফেয়ার্স, কুটনীতিক এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষাবিদ, সুশীল সমাজ ও প্রেসের প্রতিনিধি সহ বাংলাদেশি প্রবাসীদের সরব উপস্থিতি ছিল। ছিলেন তুরস্কের সংস্কৃতি, ভাষা ও ইতিহাস বিষয়ক, আতার্তুক সুপ্রীম কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. দেরিয়া ওরস ও তুরস্কের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হাজিটেপে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর প্রফেসর ড. এ হুলুক ওজেন।

বাংলাদেশ এবং তুরস্কের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং আর্থ-সামজিক  উন্নয়নের উপর একটি সংক্ষিপ্ত প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি  ড. এ হুলুক ওজেন বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আধুনিক তুরস্কের জনক কামাল আর্তাতুককে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। বিশেষ অতিথি ড. দেরিয়া ওরস তার বক্তব্যে ভাষাকে সংস্কৃতির বাহক হিসেবে চিত্রায়ন করেন এবং সংস্কৃতির গতিধারার উন্নয়নে একুশে’র চেতনাকে বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে দেয়াকে বিশ্বের সব ভাষারই উন্নতি বলে মন্তব্য করেন।

তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. আল্লামা সিদ্দিকী তার স্বাগত বক্তব্যে সকল ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন জেলে বন্দী থাকাবস্থায় মাতৃভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমান্য অবদানকে। ইউনেস্কো কর্তৃক ১৯৯৯ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারি'কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানকে তিনি তার বক্তব্যে বিশেষভাবে স্মরণ করেন। ২১শে ফেব্রুয়ারির প্রেরণা বিশ্বময় বিভিন্ন ভাষার সংস্কৃতির বিকাশের পাশাপাশি লুপ্তপ্রায় ভাষাগুলোর সুরক্ষায়ও ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।


বিডি-প্রতিদিন/এস আহমেদ

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow