Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : ১ মার্চ, ২০১৭ ১০:০৩ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১ মার্চ, ২০১৭ ১২:২৮
দ্রুত পাসপোর্ট দেয়ার উদ্যোগ মালয়েশিয়া হাইকমিশনের
জহিরুল ইসলাম হিরন, মালয়েশিয়া
দ্রুত পাসপোর্ট দেয়ার উদ্যোগ মালয়েশিয়া হাইকমিশনের

দ্রুততম সময়ে পাসপোর্ট দেয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন মালয়েশিয়া বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার মো. শহীদুল ইসলাম। মঙ্গলবার মালয়েশিয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

 

মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ হাইকমিশনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় শহীদুল ইসলাম বলেন, যে সকল অবৈধ বাংলাদেশি কর্মী মালয়েশিয়া সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া অস্থায়ী কাজের নিবন্ধন ই-কার্ড প্রাপ্ত হবেন তাদের প্রাধিকার ভিত্তিতে বৈধ করণে বিশেষ প্রচেষ্টা নেয়া হবে।

ই-কার্ড প্রাপ্তদের মধ্যে যাদের পাসপোর্ট নাই তাদের দ্রুততম সময়ে পাসপোর্ট প্রদানে হাইকমিশন উদ্যোগ নেবে বলেও জানান তিনি।  

শহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের আরও জানান সকল অবৈধ শ্রমিকদের জন্য এটাই শেষ সুযোগ। অবৈধ বাংলাদেশি শ্রমিকদের অবশ্যই ই-কার্ড করতে হবে।  

ই-কার্ড নিবন্ধন চলবে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত। কোনোভাবেই এই সময় সীমা বর্ধিত করা হবে না এবং যারা এই সুযোগের পরেও ই-কার্ড করবেন না তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে মালয়েশিয়া সরকার।  

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বিদেশী শ্রমিকদের ই-কার্ডের জন্য কোনো প্রতিনিধি বা দালালকে দায়িত্ব দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন হাইকমিশনার। তাই কোনো এজেন্টের কাছে না গিয়ে নিয়োগকর্তা এবং অবৈধ শ্রমিককে সশরীরে যে কোনো স্টেট ইমিগ্র্যাশন অফিস থেকে ই-কার্ড নেবার জন্য আহবান জানান।

শুধু পাঁচটি সেক্টরের জন্য ই-কার্ডের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এগুলো হলো- প্লানটেশন, এগ্রিকালচার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল, কনস্ট্রাকশন এবং সার্ভিস সেক্টর। এই ই-কার্ডের মাধ্যমে প্রায় সাড়ে তিন লাখ অবৈধ শ্রমিক নিবন্ধিত হবেন বলে জানান হাই কমিশনার শহিদুল ইসলাম।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় অবস্থিত ১৫টি দেশের অবৈধ শ্রমিকগণ এই ই-কার্ড পাবে। এই ১৫টি দেশ হলো বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কাজাখস্তান, কাম্বোডিয়া, লাওস, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান এবং ভিয়েতনাম।  

ই-কাড কর্মসূচি মালয়েশিয়া সরকার কর্তৃক ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে চালু হওয়া রিহায়ারিং কর্মসূচির সহায়ক একটি কর্মসূচি। ১৫ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি তারিখ পর্যন্ত মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন কতৃক ইস্যু হওয়া ই-কাড এর অর্ধেকেরও বেশি বাংলাদেশি সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গেছে।  

 

বিডি প্রতিদিন/১ মার্চ, ২০১৭/ফারজানা

আপনার মন্তব্য

up-arrow