Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

গাছের পায়ের কাছে

ভালোবাসা সমবেত হলে             যথেষ্ট পেছনে পড়ে ঘৃণালব্ধ বিষ মারণাস্ত্র যত দূর..., তার চেয়ে বেশি যায় দোয়েলের শিস   কাঁটা ও কীটের পাশে, তবু             হেসে ওঠে কুসুমের সহমর্মী হাসি সুখের সমাধি-ঘাসে লিখতে হয় ‘দুঃখ ভালোবাসি’   অজুহাত দ্রুত বেড়ে যায়             অপপ্রয়োগের…

তার মৃত্যুর পর

গঙ্গার ধারে শ্মশান গঙ্গার ধারে শিমুল গাছ ম্লান সন্ধ্যাবেলা জিজ্ঞাসার অন্ধকার গাঢ় সন্ধ্যাবেলা জেগে উঠছে  দীর্ঘশ্বাসে ডুবে থাকা গান   বিনয় মজুমদার আগুনের ভেতর দিয়ে হাসতে হাসতে চলেছেন নদীর ওপারে। তার মাফলার পুড়ছে চিতায়। তার বকুল ফুল                         ঝরছে শ্মশানে....…

হরিণ জোছনায় দুধেল মাছিরা

ক্লান্তির আবছায়ায় বয়সটা ঝিমোয়। সময়ের সংবিদে পা রেখে হরিণ জোছনায় গা ধূতে নেমেছে যে দুধেল মাছিরা তাদের ডানায়ও সেয়ানা বাদুড় শিকারী পাখা মেলেছে কৌশলী নখর ছড়িয়ে   পোড়া রোদ্দুরও কি গেঁজা মেঘের পেটে মুখ ডোবালো? হিসেবের গেড়াকলে বোধের ঢেঁকিও যখন নিরুত্তাপে জড়সড়, তখন, হে বৃদ্ধ সময় আমিষের বাড়ন্ত আয়ু নিয়ে কোন অভাগীর…

কথন

এ কথা লিখছি আমি ভ্রমরের ভাঁজপত্রে, ঝরে পড়া হরিৎ বাকলে, টুকরো টুকরো পাথরের বুকে, জেগে ওঠা ফসিলের গায়ে, খিলানের রেখাপথে, ভেসে ওঠা জলছাপে, দোয়েলের মনোলগে, গোধূলির ছাপচিত্রে, প্রান্তরের শিলাপটে, নৈঃশব্দ্যের ছায়াভ্রমে, বিকেলের ধূলিচিত্রে, পয়ারের পাটাতনে! এ কথা বলছি আমি মাস্তুলের বুক চিরে, গলুইয়ের চেরাকাঠে, লণ্ঠনের…
up-arrow