Bangladesh Pratidin

‘খেয়া’ কাব্যের ‘কৃপণ’ কবিতা

‘খেয়া’ কাব্যের ‘কৃপণ’ কবিতা

প্রাক-গীতাঞ্জলি পর্বে ‘খেয়া’ কাব্য রবীন্দ্র ভাবনার এক বিশিষ্ট তত্ত্ববাহী, দুঃখব্রতের অভিজ্ঞান। ব্যক্তিগত জীবনে…

চুল

আষাঢ় আকাশে ওড়ে মেঘ নয়, কারও কালো চুল, কার চুল! কার? তোমার! তোমার চুলের গন্ধে ঈর্ষার আগুন জ্বলে গোলাপের চোখ। ২. হিজাব খুলেছে অই বাঙাল বেদেনী আমি চোখ বন্ধ করে তাকালাম, দেখি— বেণী খুলে বের হলো আগুন সাপিনী।

বটেশ্বর

নথিতে পাবে না নটেশ্বর আমার ঠিকানা বটেশ্বর! আমি তো রয়েছি—             জনপদে হ্রদ-প্রস্রবণে চারক্রোশ পার হয়ে দূরে             মাটির ভিটায়! নতুন পাতার বনভূমিতে! আমি তো নিবন্ধিত মানুষ নই— খুঁজে পাবে হিসেব-খাতায়! ঘরের ঠিকানা—           উঠানের দাগ প্লাবনেও মুছে যায়। বিরহকাতর…

তখন তাকে করবা হলো

কীইবা বলো করার থাকে তার? থাকতে যদি না পারে সে, না হয়ে ছারখার!   চলতে যদি লাগেই কোনো টলতে থাকার পরিস্থিতি ভাবতে গিয়ে হওয়াই লাগে দ্বিধার দ্বিখণ্ড   তখন তাকে চিনতে পারো একটা ভাঙা মন-হিসেবে তোমার নিজের টুকরাগুলো মিশিয়ে দেবার স্থান   কীইবা বলো করার থাকে, সবচেয়ে করুণ অংশটাকে নিজেই গিয়ে ধরতে যদি চায়?   দিও তাকে…

অবজ্ঞার সাইনবোর্ড

ডাকঘরে ঝুলছে অবজ্ঞার সাইনবোর্ড। বার্তাবাহী ডাকবাক্স তাই পোস্ট মাস্টারহীন! খরাক্লিষ্টে সর্বস্ব হারিয়ে জীর্ণদেহে রানার অবজ্ঞার ধুলোয় ঢেকে গেছে প্রেরকের ঠিকানা। তাই ডাকঘর থেকে আসে না চিঠির পূর্বাভাস অপেক্ষারত চোখ তবুও খুঁজে হারিকেনের মৃদু আলো গন্তব্যহীন রানার আঁধারে খুলে বসে ব্যর্থতার ডাকবাক্স।
up-arrow