Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৭

প্রকাশ : শনিবার, ১৬ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৫ জুলাই, ২০১৬ ২১:৫৫
টেক টক
তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক
টেক টক

গুগলের নিজস্ব হ্যান্ডসেট

 

বিশ্বের অন্যতম সার্চ জায়ান্ট গুগল ইতিমধ্যে বিখ্যাত কোম্পানি এলজি এবং হুয়াওয়ের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে তৈরি করছে গুগল নেক্সাস স্মার্টফোন। কিন্তু ভবিষ্যতে গুগল নিজস্ব প্রযুক্তিতে স্মার্টফোন তৈরি করতে চায় বলে দাবি করেছে ব্রিটিশ দৈনিক টেলিগ্রাফ। এ বছরের শেষ নাগাদ নতুন স্মার্টফোনটি বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুগল-ব্র্যান্ডের নতুন এই স্মার্টফোন উন্মুক্তের ব্যাপারে সার্চ জায়ান্ট কয়েকটি মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠকও করেছে। এমনটাই জানিয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্যিক সাইট বিজনেস ইনসাইডার। গুগল জানায়, এই প্রথম নিজেরা নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড-এর মাধ্যমে গুগল স্মার্টফোনের পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। গুগল এমনিতেই ইন্টারনেটে সফটওয়্যারের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত। তাছাড়া তথ্য-প্রযুক্তিতে গত কয়েক বছরে ট্যাবলেট, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিপণ্য তৈরির মধ্য দিয়ে নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরির পদক্ষেপ নেয় গুগল। এরই ধারাবাহিকতায় গুগলের এ পদক্ষেপ। ইতিমধ্যে তারা অ্যান্ড্রয়েডের সফটওয়্যার স্থাপনা করে, যা অন্যান্য স্মার্টফোন নির্মাতারা তাদের ডিভাইসে ব্যবহার করছে। কিন্তু গুগল আরও এক ধাপ এগোতে চাচ্ছে বলে জানায় ব্রিটিশ দৈনিকটি। গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই বলেন, হার্ডওয়্যার কোম্পানিগুলোকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা আছে আমাদের। এতে স্মার্টফোনের বাজার পরিচালনা যেমন সহজ হবে তেমনি গুগলের সেবাও পৌঁছে যাবে ভোক্তাদের দোরগোড়ায়। তবে, গুগল কবে নাগাদ তাদের সম্পূর্ণ নিজস্ব স্মার্টফোন বের করতে যাচ্ছে তা নিয়ে কোনো স্পষ্ট সময়সীমা পাওয়া যায়নি।

 

এক অ্যান্টেনায় সবকিছু!

ল্যাপটপের জন্য মাল্টি-ফাংশন অ্যান্টেনা উদ্ভাবন করেছে এক ব্রিটিশ প্রযুক্তি স্টার্টআপ। ইউনিভার্সিটি অব বার্মিংহাম-এর বিজ্ঞানীদের তৈরি এ নতুন আবিষ্কারে থাকছে এক অ্যান্টেনায় ওয়াই-ফাই, জিপিএস, ব্লুটুথ আর থ্রিজি/ফোরজি এলটিই এবং প্রতি সেকেন্ডে ‘ওয়াই-গিগ-মাল্টি’ ওয়্যারলেস স্পিড। তারা দাবি করে, এই অ্যান্টেনা খুব সীমিত জায়গায় স্থাপন করা যাবে, যা ল্যাপটপে ব্যবহৃত পাঁচটি অ্যান্টেনাকে প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম, জানিয়েছে আইএএনএস। সাধারণত ল্যাপটপের ব্যবহৃত অ্যান্টেনাগুলো পরপর পাশাপাশি সাজিয়ে স্থাপন করলে সংকেত পাঠানোর পথে নানাবিধ বাধার সৃষ্টি হয়। ফলে অ্যান্টেনার কার্যকারিতা অনেক কমে যায়। আর ওয়াই-ফাই কিংবা মোবাইল সিগনালের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা অ্যান্টেনাগুলো আলাদা না হওয়াতে কম্পনে সংঘর্ষ হয়। হু এর মতে, ‘যদি এই অ্যান্টেনা দুটি কাছাকাছি বসানো হয়, তাহলে কম্পনের সংঘর্ষে অ্যান্টেনার কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং ব্যাটারি খরচ বেশি হয়। তাই আমরা নতুন উদ্ভাবিত মিমো (গওগঙ) অ্যান্টেনার মাধ্যমে এসব সমস্যা সমাধান করেছি। এতে সব অ্যান্টেনা একত্রিত করে শুধু একটিতে পরিণত করা হয়েছে। ’

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত
এই পাতার আরো খবর
up-arrow