Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১ জুন, ২০১৬ ২৩:৩৭
বিদেশিদের ওপর ক্ষুব্ধ ক্লাবগুলো
ক্রীড়া প্রতিবেদক
বিদেশিদের ওপর ক্ষুব্ধ ক্লাবগুলো

স্বাধীনতা কাপ শেষ হয়েছে আগেই। এখন মাঠে নামার অপেক্ষায় রয়েছে ঘরোয়া ফুটবল মৌসুমের দ্বিতীয় আসার ফেডারেশন কাপ।

ফাইনালে ঢাকা আবাহনীকে হারিয়ে স্বাধীনতা কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী। শুধু এই টুর্নামেন্ট নয়, গত কয়েক বছর ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে মাঠে মুখ্য ভূমিকা রাখছে বিদেশি ফুটবলারই। অথচ লোকালদের পারিশ্রমিক আকাশ ছোঁয়ার মতো। নালজেগার, ঝুকভদের মতো মানসম্পন্ন বিদেশিদের দেখা মিলছে না। আসলে ফান্ডের কারণে উঁচু মানের বিদেশি আনার সম্ভবও হচ্ছে না। তবু ঘরোয়া ফুটবলে বিদেশিদের দাপট তুঙ্গে। এবার স্বাধীনতা কাপে সেমিফাইনালে খেলে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র, ঢাকা আবাহনী, শেখ জামাল ধানমন্ডি ও চট্টগ্রাম আবাহনী। এই চার দলের জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল বিদেশিদেরই। শুধু কি তাই, স্বাধীনতা কাপে শতকরা ৮০ ভাগ গোল আসে বিদেশিদের পা থেকে। হ্যাটট্রিকের উৎসবে মাতেন তারাই। অন্যদিকে লোকালরা বড্ড ম্লান।

এমন পারফরম্যান্সের পরও অধিকাংশ ক্লাব বিদেশিদের ওপর ক্ষুব্ধ। শীর্ষস্থানীয় ক্লাবের এক কর্মকর্তা জানালেন, বিদেশিদের নিয়ে শৃঙ্খলা ভাঙার অভিযোগ নেই। কিন্তু অনুশীলন ও ম্যাচে তারা কোচের নির্দেশ ঠিকমতো মানতে চান না। অযথা ফাউল করে কার্ড দেখছে যা দলের ক্ষতি হচ্ছে। পেমেন্ট একটু দেরি হলেই মাঠে না নামার হুমকি দিচ্ছে। এমন এক ঘটনা ঘটে স্বাধীনতা কাপে। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে এক ক্লাব পেমেন্ট দিতে পারছিল না। বলা হয় দু-এক দিন দেরি হবে। এতে করেই বিদেশিরা দেশে ফেরার হুমকি দেয়। সেমিফাইনাল ম্যাচ ছিল তাই উপায় না দেখে পেমেন্ট দিয়ে তাদের মাঠে নামায়।

অধিকাংশ ক্লাবের ক্ষেত্রে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। উপায় না থাকায় ক্লাবগুলোকে তা সহ্য করতে হচ্ছে। ম্যাচে গ্যাপ থাকলেই জরুরি কাজ বলে বিদেশিরা দেশে যাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে। কড়াকড়ি আরোপ করায় বিদেশিরা এখন নিজেদের খুশিমতো ক্লাবের বাইরে রাত কাটাতে পারছে না ঠিকই। কিন্তু খাওয়ার মান নিয়ে বিদেশিরা যে আচরণ করে তাতে মনে হয় ওরা মেসিদের চেয়েও বড় তারকা। বিদেশিদের আচরণে ক্ষুব্ধ। কিন্তু কিছু করারও নেই। কারণ তাদের ওপরই ভরসা রাখতে হচ্ছে ক্লাবগুলোর।

up-arrow