Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : রবিবার, ১২ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ১১ জুন, ২০১৬ ২২:৩৮
শেখ রাসেল-চট্টগ্রাম আবাহনী কেউ জেতেনি
ক্রীড়া প্রতিবেদক
শেখ রাসেল-চট্টগ্রাম আবাহনী কেউ জেতেনি
চট্টগ্রাম আবাহনীর বিপক্ষে সমতা ফেরানোর পর উৎসবে মেতেছেন শেখ রাসেলের ইকাঙ্গা —বাংলাদেশ প্রতিদিন

স্বাধীনতা কাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেও ফাইনালে খেলতে পারেনি শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে হেরেছিল চট্টগ্রাম আবাহনীর কাছে। গতকাল ওয়ালটন ফেডারেশন কাপের গ্রুপ পর্বে দুই দল ফের মুখোমুখি হয়। এবার আর হারেনি শেখ রাসেল। বরং দুর্ভাগ্য সঙ্গী হওয়ায় জয় বঞ্চিত হয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে দলটিকে। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ফ্লাড লাইটের আলোয় শেখ রাসেল ও চট্টগ্রাম আবাহনীর হেভিওয়েট ম্যাচটি ড্র হয়েছে ১-১ গোলে। দিনের প্রথম ম্যাচে ডারবো ল্যান্ডিংয়ের হ্যাটট্রিকে ৬-২ গোলে উত্তর বারিধারাকে হারিয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব।

এমননিতেই বিগ ম্যাচ। হাইভোল্টেজ ম্যাচটি চট্টগ্রাম আবাহনীর জন্য যেমন ছিল প্রমাণের, বিপরীতে শেখ রাসেলের ছিল প্রতিশোধের ম্যাচ। হেভিওয়েট ম্যাচ সত্ত্বেও মামুনুল, জামাল ভুঁইয়াদের জন্য ফুটবলপ্রেমীদের আলাদা নজর কেড়েছে ম্যাচটি। আইনি ঝামেলা কাটিয়ে গতকাল মাঠে নেমেছেন মামুনুল, জামালরা। ঘর ভাঙার অপরাধে ৮ ফুটবলারের বিপক্ষে আইনের পথে হেঁটেছিল শেখ জামাল। আইনের মারপ্যাঁচে পড়া ফুটবলারদের পাঁচজন চট্টগ্রাম আবাহনীর এবং জামাল ভুঁইয়া ও আলমগীর কবির রানা শেখ রাসেলের। গতকাল মাঠে নামেন শেখ রাসেলের জামাল ও আলমগীর এবং আকাশী-হলুদ শিবিরের পক্ষে মামুনুল, ইয়ামিন মুন্না ও রায়হান হাসান। একাদশে না থাকায় নামেননি নাসির উদ্দিন চৌধুরী ও সোহেল রানা। টুর্নামেন্টের প্রথম বিগ ম্যাচের গোল দুটি হয় প্রথমার্ধে। ৫ মিনিটে এগিয়ে যায় স্বাধীনতা কাপের শিরোপাজয়ী চট্টগ্রাম আবাহনী। বন্দরনগরীর দলটির পক্ষে গোল করেন তরুণ স্ট্রাইকার মো. ইব্রাহিম। ডি বক্সের বাঁ প্রান্ত থেকে প্লেসিং শটে এগিয়ে নেন দলকে (১-০)। ১৭ মিনিটে নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় বন্দর নগরীর দলটি। বিপ্লবের ক্রসে ইব্রাহিমের হেড সামান্যের জন্য গোলবারের ওপর দিয়ে যায়। পিছিয়ে পড়ে মড়িয়া হয়ে উঠে শেখ রাসেল। প্রথমার্ধের অন্তিম মুহূর্তে সমতা আনেন শেখ রাসেলের কামেরুনের স্ট্রাইকার জিন ইকাঙ্গা। ডান প্রান্ত থেকে নাসিরুল ইসলাম নাহিদের ক্রসে হেডে সমতা আনেন ইকাঙ্গা (১-১)। অবশ্য ইকাঙ্গা আরও একটি গোল পেতেন, যদি না সাইডবারে লাগত তার শটটি।

প্রথমার্ধের চেয়ে দ্বিতীয়ার্ধে অনেক বেশি গতিশীল ফুটবল খেলেছে দুই দল। দুই দলই বেশ কয়েকটি সুযোগ সৃষ্টি করে গোলের। কিন্তু স্ট্রাইকারদের ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের দেখা পায়নি কোনো  দল। ফলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়তে হয়ে  দুই দলকে।

মৌসুমের প্রথম টুর্নামেন্ট স্বাধীনতা কাপের সেমিফাইনালে আবাহনীর কাছে ০-৬ গোলে হারের দুঃস্বপ্নকে পেছনে ফেলেছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। ওই হারের ধাক্কা সামলে পরের ম্যাচেই শেখ জামাল তুলে নিয়েছে বড় জয়। গাম্বিয়ান স্ট্রাইকার ডারবো ল্যান্ডিংয়ের হ্যাটট্রিককে ৬-২ গোলে হারিয়েছে উত্তর বারিধারা ক্লাবকে। হ্যাটট্রিকটি আবার টুর্নামেন্টের প্রথম। হ্যাটট্রিকম্যান ল্যান্ডিং গোলগুলো করেন ২৩, ৪৭ ও ৬৪ মিনিটে। বাকি তিন গোল আসে ওয়েডসন, এনামুল ও ইয়াসিনের পা থেকে। বারিধারার পক্ষে গোল দুটি করেন খালেকুজ্জামান সবুজ ও রোহিত সরকার।




up-arrow