Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৬ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৩৫
হকির পাতানো ম্যাচের তদন্ত দরকার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
হকির পাতানো ম্যাচের তদন্ত দরকার
সাজেদ এ এ আদেল

শেষ হয়ে গেছে হকির প্রিমিয়ার লিগ। নতুন চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মেরিনার্স ইয়াংস। শেষ হলেও লিগের কিছু ঘটনা হকির সৌন্দর্য ম্লান করেছে। বেশ কিছু ম্যাচে হট্টগোলও হয়েছে। মেরিনার্স চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, এজন্য তাদের খেলোয়াড়রা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু শেষ দিনে ক্লাবের উচ্ছৃঙ্খল সমর্থকরা যে ভাঙচুর করেছে তাতে শুধু মেরিনার্স নয় হকিরও ইমেজ নষ্ট হয়েছে। হকিতে এর আগেও পাতানো খেলা হয়েছে। কিন্তু এবারের মতো ওপেন আর দেখা যায়নি। সুপার লিগে ঢাকা মোহামেডান ও বাংলাদেশ স্পোর্টিংয়ের ম্যাচে যা হয়েছে তা লিগ ইতিহাসে বড় লজ্জা বলা যায়। ৬-৫ গোলে জয় পেয়েছে ঐতিহ্যবাহী ঢাকা মোহামেডান। দুর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে মোহামেডান জিতবে এটাই স্বাভাবিক।

প্রশ্ন উঠেছে মোহামেডানের ৫ গোল খাওয়া নিয়ে। একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত রেকর্ড গড়ার জন্যই ম্যাচটি এমনভাবে সাজানো হয়। আর এই পাতানো ম্যাচ নিয়ে ক্রীড়াঙ্গনে রীতিমতো হৈ চৈ পড়ে গেছে। অন্য কেউ নন, হকির সুপরিচিত সংগঠক সাজেদ এ এ আদেল ব্যাপারটি নিয়ে ক্ষুব্ধ। ১৯৭৯ সালে মোহামেডান থেকে খেলা শুরু করেন তিনি। ১৯৯৬ সাল খেলে তিনিই মূলত মোহামেডানের হকি দল গড়ছেন। দুই বছর ধরে এই দায়িত্বে তিনি অবশ্য নেই। বেশ ক্ষোভের সঙ্গে সাজেদ বললেন, মোহামেডান -বাংলাদেশ স্পোর্টিং ম্যাচে যা হয়েছে কোনোভাবে তা মানা যায় না। আমি চাই হকির বৃহত্তর স্বার্থে ফেডারেশন যেন ম্যাচটির তদন্ত করে। তিনি বলেন, এমন নির্লজ্জ পাতানো ম্যাচ কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না।

সাজেদ আবেগ আপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার হৃদয় জুড়েই মোহামেডান। যা মানা যায় না তারই প্রতিবাদ করছি। এ নিয়ে কেউ মনঃক্ষুণ্ন হলে কিছু করার নেই।

১৯৭৮ সাল থেকে চ্যাম্পিয়নের জন্যই দল গড়ছে মোহামেডান। ক্লাবের ইতিহাসে হকিতে এবার কোনো ডিসিপ্লিনই ছিল না। এতে ক্লাবের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। শুধু অর্থ খরচ করলে হয় না, দল চালাতে মেধা ও অভিজ্ঞ সংগঠক লাগে তা বোধ হয় ক্লাব ভুলে গিয়েছে। যার  জন্য এই পরিণতি।

up-arrow